নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে গতকাল আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ৯৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছে। এর মধ্যে অভিযান চালিয়ে আটক ২৮ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
এদিকে, সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে বসুরহাটে। পৌরসভা এলাকায় উপজেলা প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারার কারণে বাজারে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি একেবারেই কম। বসুরহাট বাজারের বেশির ভাগ দোকানপাটই বন্ধ।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক বলেন, উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন বাদী হয়ে সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ৯৮ জনের নামে মামলা করেছেন। সংঘর্ষের ঘটনার পর আজ (১০ মার্চ) বুধবার উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ২৮ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে বেশ কিছু ককটেল, মারামারির কাজে ব্যবহৃত লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারির পর বসুরহাট-দাগনভূঞা সড়কের মহাজনদিঘি, বসুরহাট-কবিরহাট সড়কের লোহার পোল এলাকাসহ বিভিন্ন সড়কে কাদের মির্জার অনুসারীরা ব্যারিকেড দিয়েছেন।
ফেনী ও কবিরহাট এলাকা থেকে কেউ যাতে বসুরহাটে না আসতে পারে, সে জন্য তাঁরা সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে এবং যাত্রীবাহী বাস আড়াআড়ি করে রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেন। আজ সকাল ৯টা নাগাদ পুলিশ স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় প্রতিবন্ধকতাগুলো সরিয়ে নেয়।
এমবি





