২০১৯ সালের পুরো বছর জুড়েই উর্ধ্বমুখী ছিল পেঁয়াজসহ সব ধরণের মসলা জাতীয় পণ্যের দাম।
বছর শেষে চাল, আটা, ডিম, শাকসবজিসহ অধিকাংশ নিত্য পণ্যের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে।
এ বছর সামগ্রিকভাবে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে সাড়ে ৬ শতাংশ। আর পণ্য ও সেবার মূল্য বেড়েছে প্রায় ৭ শতাংশ।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) দ্রব্যমূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয়বিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ক্যাবের সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ২০১৯ সালে মসলা জাতীয় পণ্য পেঁয়াজ, এলাচি, রসুন এবং আদা ছাড়া অধিকাংশ নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও সহনীয় পর্যায়ে ছিল।
চালের মূল্য ছিল সহনীয় এবং নিম্নমুখী। তবে বছরের শেষে চাল, আটা, ডিম, শাক-সবজিসহ কিছু পণ্যের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী ছিল।
‘রাজধানীর ১৫টি খুচরা বাজার ও বিভিন্ন সেবা সার্ভিসের মধ্যে থেকে ১১৪টি খাদ্যপণ্য, ২২টি নিত্যপণ্য এবং ১৪টি সেবা সার্ভিসের তথ্য পর্যালোচনায় বিবেচনা করা হয়েছে। এ হিসেবে শিক্ষা, চিকিৎসা ও প্রকৃত যাতায়াত ব্যয় বহির্ভূত।’
তিনি বলেন, রাজধানীর ঢাকায় সংগৃহীত বাজারদর ও বিভিন্ন সেবা সার্ভিসের তথ্য থেকে দেখা যায়, সদ্য বিদায়ী ২০১৯ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ।
এছাড়া পণ্য মূল্য ও সেবা মূল্য বেড়েছে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ। যা ২০১৮ সালে ছিল যথাক্রমে ৬ শতাংশ এবং ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ।
অনুষ্ঠানে মূল প্রতিবেদন তুলে ধরেন ক্যাবের সভাপতি গোলাম রহমান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়া, ভোক্তা অভিযোগ নিষ্পত্তি জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম প্রমুখ।
এএস





