বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সরকারি সুবিধাভোগী না হলেও দলের শীর্ষ নেতা হওয়ায় নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) অভিযোগ দিয়েছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সহস্র নাগরিক কমিটি।
বৃহস্পতিবার ইসি সচিবালয়ের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে দেখা করে নাগরিক কমিটির প্রতিনিধিরা এ অভিযোগ দেন। এ সময় বিএনপি নেত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কমিশনকে অনুরোধ করে নাগরিক কমিটি।
নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব গোলাম কুদ্দুসের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল সিইসির সঙ্গে বিকাল ৫টা থেকে ঘণ্টা ব্যাপী বৈঠক করেন। এ সময় তারা নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সিইসির কাছে লিখিত আবেদনও করেন।
বৈঠক শেষে গোলাম কুদ্দুস সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসনের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, রাস্তাঘাট বন্ধ করে সভা-সমাবেশ, যান চলাচলে বিঘ্ন করে নির্বাচনী প্রচার কাজ চালাচ্ছেন। যা সম্পূর্ণভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি, আইন-কানুন ও বিধিবহির্ভূত।’
খালেদা জিয়ার নির্বাচনী আচরণবিধি পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সিইসিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলেও জানান কুদ্দুস।
সহস্র নাগরিক কমিটি সদস্য সাংবাদিক নেতা মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘সেনাবাহিনী কোথায়, কীভাবে থাকবে তা ইসির এখতিয়ার। এ নিয়ে কোনো আমাদের দাবি নেই।’
প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন সাংসদ মৃণাল কান্তি দাস, ড. নাজমা শাহীন, অ্যাডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওসার, এসকে হাবিবুল্লাহ ও রাশেল আশিকী প্রমুখ।
এর আগে নির্দলীয় এ নির্বাচন নিয়ে ভোটের প্রচার শুরুর পর সিইসির সঙ্গে বিএনপি সমর্থিত শত নাগরিক কমিটি ও বিএনপি নেতারা সাক্ষাৎ করেছিলেন।
আগামী ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এতে ৪৮ জন মেয়র পদপ্রার্থীসহ ১১৭৪ প্রতিদ্বন্দ্বি করছেন।
জেএ





