দেশে কোনো স্বাধীনতা নেই, দেশের স্বাধীনতা আজ দিল্লির পদতলে মন্তব্য করেছেন ২০ দলীয় জোট শরীক বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।
রবিবার এক বিবৃতিতে ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গনি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন। বিরোধী দলকে দমন করতে গিয়ে অবৈধ সরকারের মন্ত্রীরা জঙ্গীবাদের জিকির তুলে দেশটাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
শুক্রবার রাতে গুলশানের একটি হোটেলে সংগঠিত সন্ত্রাসীদের হামলায় পুলিশের ওসি, ডিবি‘র উপ-কমিশনারসহ নিহত ও আহতের হবার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ উৎকন্ঠা প্রকাশ করে নেতৃদ্বয় বলেছেন, বাংলাদেশকে এশটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিনত করার ষড়যন্ত্র চলছে। এই অবস্থা থেকে দেশকে রক্ষা করতে সরকারের উচিত অবিলম্বে সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে জাতীয় সংলাপের আয়োজন করা।
তারা বলেন, সরকারের প্রতিহিংসামূলক, ভূল রাজনীতি আর অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার অপপ্রয়াসের কারণে উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। যে কোন হত্যাকান্ডের দায় বিরোধী দলের উপর চাপানোর অপচেষ্টার কারণে প্রকৃত অপরাধিরা বার বার পার পেয়ে গিয়েছে বলেই গুলশানে ভয়াবহ ঘটনার জন্ম দিয়েছে।
তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, বার বার দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকান্ডে লিপ্ত না হয়ে দেশটাকে রক্ষায় দ্রুতততম সময়ের মধ্যে জাতীয় সংলাপের আয়োজন করে জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তুলুন।
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেছেন, একের পর এক হত্যাকান্ড ও গতকালের গুলশানের ঘটনার পর মানুষের নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা অনেক বেড়ে গেছে।
এসব হত্যাকান্ডকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে কিংবা বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করা হবে চরম দায়িত্বহীনতা। এসব হত্যাকান্ডের প্রকৃত কারণ আর্ন্তজাতিক সামরাজ্যবাদীদের অপ-রাজনৈতিক। একের পর এক হত্যাকান্ড ষড়যন্ত্রেরই অংশ।
তারা বলেন, দেশে একের পর এক হত্যাকান্ড ঘটেই চলেছে। টার্গেট করে প্রকাশ্যে হত্যাকান্ড চলছে। গুম-গুপ্ত হত্যাও চলছে। কোনো হত্যাকান্ডেরই বিচার হচ্ছে না। খুনীরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। সরকারের নির্বিকার ভূমিকা খুনীদের মদদ দিচ্ছে। সরকারের ব্যর্থতা ও বিরোধী দলের উপর দায় চাপানোর প্রবনতায় উগ্র সাম্প্রদায়িক-সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
তারা আরো বলেন, প্রকৃতপক্ষে গোটা দেশই আজ আক্রমণের শিকার। এ অবস্থা মেনে নেয়া যায় না। গোটা দেশের মানুষকে ঐক্যদ্ধভাবে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
এফএফ





