রাজধানীর মগবাজারে রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মাহবুবুর রহমান রানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চারটি কারণকে সামনে রেখে মাঠে নেমেছে পুলিশ। এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে খুনের ঘটনার পর পরই দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত খুনের ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি।
মগবাজার মোড়ে মসজিদ গলিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাহবুবুর রহমান রানাকে ৫-৬ জন দুর্বৃত্ত  রামদা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। রানার ছোট ভাই হাবিবুর রহমান জানান, এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জাপানি তানভীর নামের একজন জড়িত রয়েছে। রানা তার এসব কাজের প্রতিবাদ করত।
এ কারণে তার ওপর জাপানি তানভীরের ক্ষোভ ছিল। সম্প্রতি দুই একটি ঘটনার পর তার এ ক্ষোভের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। তানভীর পর পর কয়েকবার হত্যার হুমকিও দেয় রানাকে।
এ ক্ষোভেই রানাকে তানভীর হত্যা করতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন। রমনা স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতা জানান, শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান ও রনির হয়ে কাজ করে জাপানি তানভীর। তার সঙ্গে সন্ত্রাসী ফখরুলের ছোট ভাই তারেক, আসলাম খানের ছেলে রাশেদ, বগা রনিসহ আরও কয়েকজন মিলে এলাকায় মাদক, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছিল।
আর রানা র্যা বের সোর্স হিসেবে এসব তথ্য দিত। এছাড়া এলাকার ঝুট ব্যবসা ও  আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তারা পরিকল্পিতভাবে রানাকে হত্যা করতে পারে। রানা রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিলেন। তিনি সাবেক থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। নিহত রানার বাবার নাম মৃত মজিবর রহমান। তিনি রমনার পূর্ব নয়াটোলার ১৬/এফ/১ নম্বর বাসায় থাকতেন। গ্রামের বাড়ি ঢাকার পূর্ব নবাবগঞ্জে।
হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও ডিবির যুগ্ম-কমিশনার বলেন, ব্যক্তিগত শত্রু, পারিবারিক শত্রু, সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কোন্দলকে সামনে রেখে তদন্ত চলছে। রমনা থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, এখনও পর্যন্ত হত্যকাণ্ড বিষয়ে মামলা হয়নি।