ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলের বেতন বৃদ্ধি ও ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালনে অস্বীকৃতি জানানোর অভিযোগে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. বায়তুল্লাহ কাদেরীর পদত্যাগ দাবি করেছে হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে এ ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এসময় প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে তারা বিক্ষোভ মিছিল করে। তারা প্রাধ্যক্ষ বিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. এম আমজাদ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হল শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি দারুস সালাম শাকিল বলেন, হলের বেতন মাসিক ১৩ টাকার পরিবর্তে ৩০ টাকা করা হয়েছে। সেটি কার্যকর হবে ১ জুলাই ২০১৪ সাল থেকে।
কিন্তু প্রাধ্যক্ষ গত ৩-৪ বছরের বকেয়া প্রত্যেকের বেতন ৩০ টাকা করে ধার্য করে তা আদায় করে। এ বিষয়ে সম্পূর্ণ প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় শোক দিবস পালন করতেও অস্বীকৃতি জানান।
তিনি বলেন, এখন আমাদের দাবি অবিলম্বে ছেলেদের কাছ থেকে নেওয়া অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিতে হবে। অন্যথায় ভুক্তভোগীরা কিছু করলে তার দায়ভার আমরা নেবো না।
এ বিষয়ে অভিমত জানতে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. বায়াতুল্লাহ কাদেরীকে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. এম আমজাদ আলী বলেন, হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হল প্রাধ্যক্ষের ওপর হামলা এবং শিক্ষককে লাঞ্চিত করেছে। দোষীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।
বেতন ৩০ টাকা করে আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, যাদের কাছ থেকে বেতন নেওয়া হয়েছে তাদের অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়া হবে। তবে দিবস পালনের বিষয়টি তিনি জানেন না বলে জানান তিনি।
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ





