গাজীপুরের টঙ্গীতে বাবা-ছেলের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য, তাঁদের মৃত্যু সন্দেহজনক। মঙ্গলবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে টঙ্গীর হাজিবাড়ি এলাকার একটি বাড়ি থেকে বাবা-ছেলের লাশ উদ্ধার করা হয়।

টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানান, স্ত্রী ইসনাহার বেগম ও প্রতিবন্ধী ছেলে নোমানকে নিয়ে আবদুল হালিম টঙ্গীবাজার বস্তাপট্টি এলাকার শাহজাদার বাড়ির পঞ্চম তলায় ভাড়া থাকতেন। তাদের পরিবারে অভাব-অনটন লেগেই থাকতে। ছেলে নোমান প্রায় অসুস্থ থাকত। অভাবের কারণে তিনি চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না। এ নিয়ে আবদুল হালিম মনঃক্ষুণ্ন ছিলেন।

মঙ্গলাবার রাতে খাবার খেয়ে স্ত্রী ও সন্তানসহ হালিম নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে হালিম নোমানকে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

রাত ৩টার দিকে তার স্ত্রী ইসনাহার বেগম চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকার শুনে অন্যান্য ভাড়াটে ও স্থানীয় লোকজন ছুটে আসেন। এ সময় ঘরের মেঝেতে নোমানকে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। আর বারান্দার গ্রিলে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় আবদুল হালিমের মরদেহ ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেন তারা।

তবে ধারণা করা হচ্ছে, অভাবের কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, পুলিশ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

এএস