বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) ও মায়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) পতাকা বৈঠকে তিনটি বিষয়ে দুইপক্ষই সম্মতিতে পৌচেঁছে। এমনটিই বলছিলেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ অহমেদ।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিজিবি সদর দপ্তরে নায়েক রাজ্জাককে কোন প্রকার শর্ত ছাড়াই ফিরিয়ে আনার ব্যাপরে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, পতাকা বৈঠকে তিনটি বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সম্মতি হয়েছে। এক- যে কোন ধরনের তথ্য উভয় পক্ষ আগে থেকেই আদান-প্রদান করবে।

দুই- বিজিবি বা বিজিপির কেউ যদি কারো সিমান্ত অতিক্রম করতে চায় তাহলে আগে থেকেই জানাতে হবে।

তিন- ১৯৮৮ সালের দুই দেশের মধ্যে যে সীমান্ত চুক্তি রয়েছে, তা দুই দেশই মেনে চলবে।

এছাড়াও সাড়ে তিন ঘন্টার ওই বঠৈকে তারা একাধিক এজেন্ডা উতথাপন করে। তার মধ্যে বর্ডার ম্যানেজমেন্ট, তথ্য আদান প্রদান এবং নদীতে মাছ ধরার বিষয়গুলো ছিলো। এছাড়া মায়ানমারের যে মহিলা আমাদের দেশে এসে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ড আইটেম নিয়ে যেত সে ইস্যুটিও এখানে উল্লেখ ছিলো।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দুদেশের মধ্যে লিখিত এ বঠৈকটি অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৭ জুন বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হিলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া এলাকা সংলগ্ন নাফ নদীতে মায়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ট্রলার নিয়ে কক্সবাজারের টেকনাফে বাংলাদেশের জলসীমায় এসে একদল অস্ত্রধারী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এতে বিপ্লব নামে এক বিজিবি সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়। এবং বিজিবির অপর এক সদস্য নায়েক আবদুর রাজ্জাককে ধরে নিয়ে যায় বিজিপি।

 

এমআর