পাবনা জেলার বেড়া উপজেলায় নিখোঁজের একদিন পর চায়না খাতুন নামে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার পেঁচাকোলা নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। সে পেঁচাকোলা গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে।
পুলিশ ও পরিবারের প্রাথমিক ধারণা, ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে পুলিশ মনিরুল ইসলাম (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। মনিরুল একই গ্রামের তিয়া আলমের ছেলে।
বেড়া থানার অফিসার ইনচার্র্জ (ওসি) ফিরোজ আহমেদ জানান, স্থানীয় স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী চায়না খাতুন যমুনা নদীতে গোসল করতে যায়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। সোমবার সকালে নদীর ধারে চায়না খাতুনের কাপড় ও নদীতে ভাসমান একটি লাশ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
ওসি ফিরোজ আহমেদ আরো জানান, উদ্ধারের পর লাশটি চায়নার বলে নিশ্চিত করে তার স্বজনরা। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মনিরুলকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
এমই





