যশোর সদর উপজেলার চাচড়া ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতায় গোলাপ হোসেন (৫০) নামের এক ফেরিওয়ালা (পথচারি) নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংষর্ঘের সময় গোলাপ গুলিবিদ্ধ হয়। পরে মারাত্মক আশংঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে যশোর সদর হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গোলাপের বাড়ি সশোর সদরের চাচড় বর্মণ পাড়া এলাকায়। এছাড়া, যশোর সদরের চুড়ামনকাঠি ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে ব্যালটপেপারে সিল মারার জেরে তিন সদস্য প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর ভোটগ্রহণ বন্ধ রাখা হয়েছে।

সকালে চুড়ামনকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে এ ঘটনায় সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে বলে রিটার্নিং কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম জানান।

আটক সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের নাম আবদুল্লাহ বিন আকবর। বাকিদের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। শহীদুল বলেন, সকালে সদস্য প্রার্থী শুক্কুর আলীর সমর্থকরা কেন্দ্রে ঢুকে ব্যালট পেপারে সিল মারা শুরু করেন।

এক পর্যায়ে অপর দুই সদস্য প্রার্থী আনিসুর রহমান ও মাহবুব হাসান সেখানে উপস্থিত হলে তিন পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

পরে পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে সরিয়ে দেয়। এরপর ওই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এসএম