কেরানীগঞ্জ ও সাভারে সরকার জমি অধিগ্রহণ করবে—এই খবরে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় লোকজন।
আজ সোমবার সকাল নয়টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত কেরানীগঞ্জের বসিলা থেকে কলাতিয়া পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকায় এই মানববন্ধন পালিত হয়।
মানববন্ধনে হাজার হাজার নারী-পুরুষ অংশ নেয়। অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয় লোকজন বিভিন্ন প্রতিবাদী বক্তব্য লেখা ব্যানার-প্ল্যাকার্ড বহন করে। কথিত জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে তারা নানান স্লোগান দেয়।
কেরানীগঞ্জের তারানগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমাদের বাপ-দাদার সম্পত্তি রাজউক অধিগ্রহণ করতে চায় বলে শুনেছি। আমরা আমাদের পৈতৃক জমি দেব না।’
কলাতিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা রেজাউল হক বলেন, ‘জমি অধিগ্রহণ করলে আমরা কোথায় যাব?’
কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শাহিন আহমেদ বলেন, জেলখানা, বিসিক শিল্পনগরী, বিসিএস আবাসন প্রকল্প, রাজউকের ঝিলমিল প্রকল্পসহ বিভিন্ন সরকারি কাজে ইতিমধ্যে কেরানীগঞ্জে জমি অধিগ্রহণ করেছে সরকার। এতে কেরানীগঞ্জের ভূমি সংকুচিত হচ্ছে। কমে যাচ্ছে কৃষিজমি। সরকার যদি ফের জমি অধিগ্রহণ করে, তাহলে স্থানীয় লোকজন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সরকার বিষয়টি বিবেচনা করবে বলে স্থানীয়দের দাবি।
কেরানীগঞ্জের তারানগর, কলাতিয়া ও সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নে পাঁচ হাজার একর জমি সরকার অধিগ্রহণ করবে—এমন খবরে গত বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ করেন স্থানীয় লোকজন। আঁটি ভাওয়াল স্কুলের মাঠে তিন ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ ওই বিক্ষোভে অংশ নেন। পরে সেখানে তাঁরা প্রতিবাদ সভা করেন।
জারিফ





