মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, রাজাকার, আলবদর এবং আল শামসদেরও তালিকা হবে। এটা একটু সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। কারণ, তৈরি করা রেকর্ড বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের আমলে মুজাহিদ-নিজামী ক্ষমতায় থাকার সময় ধ্বংস করেছে, না হয় পুড়িয়ে ফেলেছে। এগুলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংরক্ষণে থাকার কথা কিন্তু তা পাওয়া যায় নি। এখন থানা ভিত্তিক সংগ্রহ করতে হবে।
তিনি শনিবার দুপুরে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে একটি কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির গাজীপুর জেলা কমিটি গঠন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় মুষ্টিমেয় কিছু লোক আল শামস ও আলবদর বাহিনী গঠন করে। তারা স্বেচ্ছায়, স্বপ্রণোদিত হয়ে পাকিস্তানীদের কাছ থেকে অস্ত্র নিয়ে, বেতন নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। সে দিন তাদের শ্লোগান ছিল পাকিস্তান ও ইসলাম এক এবং অভিন্ন। পাকিস্তান যদি না থাকে তবে ইসলাম ধর্ম থাকবে না।’
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘দেশ স্বাধীন হলে ইসলাম ধর্ম চলে যাবে- এটা কি অপব্যাখ্যা নয়?’
ইসলাম ধর্ম প্রসারে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা অল্প দিনের মধ্যে আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপন করতে যাচ্ছি। আরবি বিশ্ববিদ্যালয় হবে একাধিক। ইতিমধ্যে এর কারিক্যুলামও তৈরি হচ্ছে। আমরা সেখানে হেফাজতে ইসলামের বড় নেতা আল্লামা সফি সাহেবকেও রেখেছি। সেখানে কি পড়ানো হবে, কি কোর্স হবে তা প্রণয়নের জন্য আল্লামা সফির নেতৃত্বে কমিটি করা হয়েছে। কিন্তু তিনি তাতে সহযোগিতা করছেন না।’
তিনি বলেন, ‘ইসলামে জঙ্গীবাদের কোন স্থান নেই। মানুষ হত্যা করে কোথাও ধর্ম প্রচার হয়েছে এমন কোন নজির নেই।’
দলের চেয়ারম্যান মাওলানা মো: ইসমাইল হোসাইনের সভাপতিত্বে অলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজমত উল্যাহ, মুফতী আশিকুল ইসলাম যুক্তিবাদী, প্রফেসর ড. আল ইমরান, মাওলানা মো: শরীফুল রহমান।
জেআই





