মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার চরকুশুণ্ডা গ্রামে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় মোবাইল ফোনে ধারণ করা ধর্ষণের ভিডিও ক্লিপও উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেফতার হওয়া তিন যুবককে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত রোববার শুনানির দিন ধার্য করেন। বুধবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া তিন যুবক হলো- ঘিওর উপজেলার চরকুশুণ্ডা গ্রামের গনি মল্লিকের ছেলে শাহিন মল্লিক (২০), শাহিনের বড় ভাই বাদশা মল্লিক (২৭) এবং একই এলাকার আব্দুল লতিফের ছেলে হৃদয় হোসেন (২০)।

এদের মধ্যে শাহিন মল্লিক ও হৃদয় হোসেন ঘিওর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। শাহিনের বড় ভাই বাদশা মল্লিক পোশাক কারখানার শ্রমিক।

শিশুটির স্বজনেরা জানান, ৯ মে বিকেলে শাহিনের বাড়ির পাশ দিয়ে একই গ্রামের নানা বাড়ি যাচ্ছিল শিশুটি। এ সময় শাহিন শিশুটিকে কৌশলে নিজ ঘরের ভেতর নিয়ে সাউন্ড বক্সে গান বাজিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুটিকে ধর্ষণ শেষে শাহিন তার অপর বন্ধু রমজানকে মোবাইল ফোনে ডেকে বাড়ি আনে। এরপর রমজানও শিশুটিকে ধর্ষণ করে।

ধর্ষণের এই ভিডিও ক্লিপ শাহিন নিজ মোবাইল ফোনে ধারণ করে। এরপর তারা ধর্ষণের ঘটনা কাউকে জানালে মেরে ফেলা হবে বলে শিশুটিকে হুমকি দেন। পরে ঘটনা জানাজানি হলে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করে।

ঘিওর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মজিবুর রহমান জানান, ধর্ষণের ঘটনায় শিশুর বাবা মামলা দায়ের পর বুধবার রাতে প্রথমে শাহিনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে শাহিনের দেওয়া তথ্য মতে হৃদয় ও বাদশাকে গ্রেফতারর করা হয়। এসময় বাদশার মোবাইল ফোন থেকে ধর্ষণের ভিডিও ক্লিপও উদ্ধার করা হয়।

ঘিওর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) শওকত আলম জানান, মামলার পরবর্তী তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।  

কেএইচ