পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার তারাবুনিয়া সেতুটির পাটাতন ভেঙে গেছে। ফলে ঝুঁকি নিয়ে সেতু পারাপার হচ্ছে স্থানীয় মাটিভাংগা ইউনিয়নের ২৫ হাজার মানুষ।
উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সূত্রে জানা গেছে, ২৬ বছর আগে তৎকালীন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার তারাবুনিয়া বাজার সংলগ্ন বলেশ্বর নদের ওপর ১০০ ফুট দৈর্ঘের সেতুটি নির্মাণ করেন।
কয়েক বছর আগে সেতুটির পাটাতন ভেঙে যায়। এর পর বিভিন্ন সময় স্থানীয় লোকজন ও ভ্যানচালকরা চাঁদা তুলে সেতুটি মেরামত করেন। তবে বর্তমানে সেতুটি এতটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে যে সেটি মেরামত করতে হলে লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, লোহার ভিমের ওপর পাটাতনগুলো ভেঙে গেছে। কোন রকমে জোড়া তালি দিয়ে তার ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে মানুষ ও হালকা যানবাহন চলাচল করছে।
ভ্যানচালক নূরুল ইসলাম বলেন, সেতুটির বিভিন্ন স্থান ভেঙে যাওয়ার পর আমরা চাঁদা তুলে মেরামত করে চলাচল করছি। তবে বর্তমানে সেতুটি খুবই নাজুক হয়ে পড়ায় ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেল ও ভ্যান চলাচল করছে। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।
মাটিভাংগা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শেখ রেদানুল ইসলাম রিজন বলেন, তারাবুনিয়া, হোগলাবুনিয়া, বড়ইবুনিয়া, সামন্তগাতিগ্রাম, বানিয়ারি, পশ্চিমবানিয়ারি ও পূর্ববানিয়ারি গ্রামের মানুষ সেতুটি দিয়ে চলাচল করে।
মাটিভাংগা ইউনিয়নের বেশির ভাগ মানুষ উপজেলা সদর ও ইউনিয়ন পরিষদে যেতে সেতুটির ওপর নির্ভরশীল। উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে সেতুটি মেরামত করা হবে।
এমএনজে





