রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় পুলিশ কর্মকর্তাদের গালিগালাজ করার অভিযোগে মাতাল অবস্থায় এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার রাত ১০টার দিকে ভবানীগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ মোড় থেকে গ্রেফতারের পর মঙ্গলবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতের নাম ফেরদৌস আলী (৪২)। তিনি ভবানীগঞ্জ পৌর যুবলীগের সভাপতি ও পৌরসভার দানগাছি গ্রামের শের আলীর ছেলে। তিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম সান্টুর দেহরক্ষী।
ফেরদৌস আলীর বিরুদ্ধে এক কলেজ শিক্ষককে মারধর, চাঁদার দাবিতে আওয়ামী লীগের নেতাকে হুমকি ও সরকারি কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি দেখানোরও অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত সোমবার রাতে যুবলীগের নেতা ফেরদৌস আলী চুরির ঘটনায় অভিযোগ করতে এক ব্যক্তিকে থানায় পাঠান। থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা চুরির ঘটনায় অভিযোগের পরিবর্তে মামলা করার পরামর্শ দেন। পরে ওই ব্যক্তি পুলিশের পরামর্শ দেয়ার বিষয় মোবাইল ফোনে যুবলীগের ওই নেতাকে জানান।
এর কিছুক্ষণ পর ফেরদৌস আলী থানার ওসির সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন। কেন অভিযোগ নেয়া হবে না- এ বিষয়ে ওসির কাছে কৈফিয়ত চান তিনি। এক পর্যায়ে ওসিকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে হুমকি দেন। পরে একইভাবে থানার সেকেণ্ডে অফিসারকে ফোন করে হুমকি দিয়ে গালিগালাজ করেন।
এ ঘটনার পর পুলিশ তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রাত ১০টার দিকে ভবানীগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ মোড় থেকে অস্বাভাবিক অবস্থায় গ্রেফতার করে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে পেটের ভেতর থেকে মাদক বের করে।
পরে পুলিশ বাদী হয়ে রাতেই যুবলীগ নেতা ফেরদৌসের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। এছাড়া আগে থেকেই একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল।
বাগমারা থানার ওসি নাছিম আহম্মেদ ঘটনার বলেন, ফেরদৌস আলীকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তবে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি যুবলীগের নেতা কিনা তা তিনি জানেন না বলে জানিয়েছেন।
বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক হাসনাতুল রাব্বি জানান, যুবলীগের ওই নেতার পেট থেকে নেশাজাতীয় দ্রব্য বের করা হয়।
এমই





