ফেনী জেলার ফুলগাজীতে এক স্কুলছাত্রীকে ২০ দিন আটকে রেখে গণধর্ষণের মূলহোতা আবুল বশরসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার রাতে ছাগলনাইয়ার পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতার আবুল বশর ঘটনার মূলহোতা ও নার্গিস আক্তার ধর্ষণের সহায়তাকারী। নার্গিস ফেনী সদর উপজেলার উত্তর কাশিমপুর গ্রামের শাহ আলমের স্ত্রী।

ছাগলনাইয়া থানার পরিদর্শক (ওসি) রাশেদ খাঁন দুই আসামিকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৪ ডিসেম্বর পরীক্ষা শেষে বাড়ি যাওয়ার পথে ফুলগাজীর ফেনাপুষ্করিণী গ্রামের মৃত জমিদার মিয়ার ছেলে আবুল বশর, ছাগলনাইয়া উপজেলার পশ্চিম দেবপুর গ্রামের মৃত চবু মিয়া বলির ছেলে ছোট্টু মিয়াসহ অন্যরা মাইক্রোবাসে ছাত্রীকে তুলে এনে ছাগলনাইয়া পৌরসভার জমদ্দার বাজারের পাটোয়ারী প্লাজায় নার্গিসের কথিত থেরাপি সেন্টারে নিয়ে আসে।

এরপর অপহৃতার মায়ের কাছে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না থাকায় মা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ২৫ হাজার টাকা পাঠান। এরপরও নার্গিসের সহযোগিতায় অপহরণকারীদের হাতে নির্যাতনের শিকার হয় স্কুলছাত্রী।

নার্গিস নেশাদ্রব্য খাইয়ে তাকে অচেতন করে রাখতেন। এভাবে ১৫ দিন ধরে বশর বাহিনী ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে।

গত ২ জানুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মহিপাল কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে অচেতন অবস্থায় স্কুলছাত্রীকে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে ভর্তি করে মেয়েটির স্বজনরা। মেয়েটির মা বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ফুলগাজী থানায় ৫ জানুয়ারি মামলা করেন।

এমকে