জেলায় বন্যা পরিস্থিতির ক্রমাবনতি অব্যাহত রয়েছে। তিন শতাধিক চরগ্রাম ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ৩৫টি ইউনিয়নের প্রায় ১ লাখ মানুষ।

ব্র‏ক্ষ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমির আমন ক্ষেতসহ পাট,সবজি ও আখক্ষেত নিমজ্জিত হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘন্টায় চিলমারী ঘাটে ব্র‏ক্ষপুত্রের পানি ১১ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বেড়েছে দুধকুমার নদেও। ধরলা নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার কমলেও এখনও বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে।

পানি বৃদ্ধির ফলে গত ২৪ ঘন্টায় কুড়িগ্রাম সদর, রৌমারী রাজীবপুর, চিলমারী ও উলিপুর উপজেলাসহ ৮টি উপজেলায় আরও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

অনেকেই উঁচু ভিটা ও নৌকার ব্যবস্থা করতে না পেরে ঘরের ভেতর মাচা ও চৌকিতে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন।

দুর্গত এলাকায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। গ্রামীণ সড়ক ডুবে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

জেলা প্রশাসক এ বি এম আজাদ জানান, বন্যা দুর্গত এলাকায় সহায়তার জন্য জরুরী ভিত্তিতে ২ শ’ মেট্রিকটন চাল ও নগদ ৫ লাখ টাকা চেয়ে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে ফ্যাক্সবার্তা পাঠানো হয়েছে। সোমবার ১০০ মে. টন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

ঢাকা, ১৯ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসআর