ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিপুল ভোটারের ভোটদানের মধ্য দিয়ে সারাদেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুরো জাতি ৩০ ডিসেম্বরের ভোট উৎসবের মাধ্যমে নতুন একটি সরকার গঠনের সুযোগ করে দিয়েছে। বিভিন্ন টেলিভিশনে প্রচারিত খবর ও বিভিন্ন সংবাদপত্রের সংবাদ শিরোনাম দেখে বুঝা যায় জাতি কতটা ভোট উৎসবে মেতে উঠে। সোমবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ভোটগ্রহণ পরবর্তী ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা।
সিইসি বলেন, ভোট নিয়ে তিনি তৃপ্ত-সন্তুষ্ট। ভোটে কোনো অনিয়ম হয়নি। ভোটে তাঁরা লজ্জিত নন। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে। পুল ভোটার উপস্থিতি ছিল। দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে যা দেখেছি তাতে মনে হয়েছে জাতি গতকাল ভোট উৎসবে মেতেছিল। দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ১৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে সে জন্য আমরা দুঃখিত।
নুরুল হুদা সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, পুলিশসহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এবারের নির্বাচনে ৮০ শতাংশের মতো লোক ভোট পড়েছে। অনিয়মের কারণে ১৬টি কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ আসনের ফল স্থগিত রাখা হয়েছে।গাইবান্ধা-৩ আসনে একজন প্রতিদ্ধন্ধী প্রার্থীর মৃত্যুতে পুন:তফসিল করা হয়েছে। আগামী ২৭ জানুয়ারি ভোট গ্রহন করা হবে।
সাংবাদিকের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয়, শক্তির দিক থেকে দুটি সমান সমান দলে এত পার্থক্য কীভাবে হয়? একটি দল চার লাখ ভোট পেয়েছে, আরেক দল ৪০০ ভোট পেয়েছে, এ ছাড়া বিরোধীরা নির্বাচন বাতিল দাবি করে নতুন নির্বাচনের দাবি করছেন।
জবাবে নুরুল হুদা বলেন, ‘এটা আমাদের কাছে কিছুই না। জনগণ ভোট দিয়েছে তাই ভোটের এত পার্থক্য। সুতরাং, নতুন করে আমরা নির্বাচন দেব না।কোনো অনিয়ম হয়নি। এখন পর্যন্ত কোনো অনিয়মের অভিযোগও পায়নি। পেলে তদন্ত করে দেখব।
এসএম





