প্রশাসনে ১৬৩ জন যুগ্মসচিবকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত সার-সংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদনের পর আজ রাত ১০ টায় প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে ১৫৪ জন কর্মকর্তার। এর বাইরে আরও ৯ জন কর্মকর্তার পদোন্নতি অনুমোদন হয়েছে। তবে তারা লিয়েনে কর্মরত থাকার কারণে তাদের প্রজ্ঞাপন পরবর্তীতে জারি করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে ১৫৪ কর্মকর্তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তবে তাদের পদায়ন করা হয়নি।

এখন প্রশাসনে অতিরিক্ত সচিবের সংখ্যা হলো ৬২৯ জন। যদিও অতিরিক্ত সচিবের স্থায়ী পদের সংখ্যা ১২১টি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রশাসনে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে এমনিতেই নিয়মিত পদের চেয়ে বেশি সংখ্যক কর্মকর্তা রয়েছেন। তারওপর আবার পদোন্নতি দেয়া হলো। এতে প্রশাসনে আরও বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে। পদোন্নতি পাওয়ার পরও অনেককে নিচের পদে কাজ করতে হবে।

সর্বশেষ দশম ব্যাচ এবং এর আগের সবব্যাচের বঞ্চিত (লেফট আউট) কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচনায় নেয়া হয়েছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

১৫৪ জনকে অতিরিক্ত পদে পদোন্নতি দেয়া হলেও অনেকে পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সবধরনের যোগ্যতা থাকার পরও পদোন্নতি পাননি বলে দাবি করেছেন কয়েক জন যুগ্ম-সচিব।

নিয়মিত পদ না থাকায় পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিবদের বেশিরভাগকেই পদোন্নতির আগে যেখানে ছিলেন ওই কর্মস্থলেই থাকবেন, অর্থাৎ ইনসিটু রাখা হবে।

‘সরকারের উপ-সচিব, যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’ বলা হয়েছে, অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের যুগ্ম-সচিব পদে কর্মরতদের বিবেচনায় নিতে হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, যুগ্ম-সচিব পদে কমপক্ষে তিন বছর চাকরিসহ ২০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা বা যুগ্ম-সচিব পদে কমপক্ষে দুই বছরের চাকরিসহ ২২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।

উপসচিব থেকে যুগ্মসচিব ও সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে উপসচিব পদেও পদোন্নতি শিগগিরই আসছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

জেড