বরিশালে পৃথক অভিযানে ৬ লাখ পিস বাগদা চিংড়ির রেণু এবং ৫০ মণ জাটকা জব্দ করা হয়েছে। এ সময় বাগদা চিংড়ি বিক্রির সঙ্গে জড়িত ১৪ জন ও জাটকা বিক্রির সঙ্গে জড়িত আটজনকে আটক করা হয়।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের ২২ জনকে দণ্ডায়িত করা হয়। এর আগে নৌ-পুলিশ ও র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা তাদের আটক করে।

র‌্যাব-৮ এর র‌্যাব-৮ সহকারী পরিচালক মো. হাসান আলী জানান, বুধবার সকালে বরিশাল-ভোলা সড়কের নেহালগঞ্জ এলাকায় একটি ট্রাকে (ঢাকা মেট্রো-ট-১৬-৫৭৬৬) তল্লাশি চালিয়ে ৪২ ড্রাম চিংড়ির রেণু জব্দ করা হয়।

ওসব রেণু ভোলা থেকে যশোর-সাতক্ষীরা অঞ্চলে পাচার করা হচ্ছিল। জব্দ করা রেণুর মূল্য আনুমানিক ৩০ লাখ টাকা। এ সময় পাচারে জড়িত থাকায় ১৪ জনকে আটক করা হয়।

আটকরা হলেন, মো. হারুন জমাদ্দার, মো. মামুন জমাদ্দার, মো. হারুন-অর রশিদ, মো. সোহাগ, মো. শাকিল, মো. মহিউদ্দিন, মো. নীরব, মো. কবির, মো. মিরাজ, মো. মিরাজ-২ মো. রেজাউল করিম বাচ্চু, মো. ফরিদ, বাহাউদ্দিন এবং মো. আল আমিন মল্লিক। আটককৃতরা বরিশাল, ভোলা, বাগেরহাট এবং খুলনার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

পরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আটক ১৪ জনের প্রত্যেককে ৩ হাজার টাকা করে মোট ৪২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে তাদের মুক্তি দেন। পরে জব্দ করা রেণু পটুয়াখালীর কলাপাড়া নদীতে অবমুক্ত করা হয়। 

অন্যদিকে, বরিশাল নৌ-পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল মোতালেব জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার রাতে হিজলা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৫০ মণ জাটকা জব্দ ও  ৮ জন জেলেকে আটক করা হয়।

আটক জেলেদের বুধবার সকালে হিজলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু বক্করের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক প্রত্যেককে ৭ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

এমই