চাঁদপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতা ও এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। এরা হলেন-জাকারিয়া চৌধুরী (৩২) ও সাজিদা বেগম (৩০)।
সোমবার দুপুরে পুলিশ তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
জাকারিয়া চাঁদপুর সদর উপজেলার পশ্চিম কুমরাড়ডুগি এলাকার মৃত ফয়জুল্লাহ চৌধুরীর ছেলে। তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি শহরের চৌধুরী এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী।
জাকারিয়ার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে জাকারিয়া সোমবার ভোরে গলায় ফাঁস দেন। বাড়ির লোকজন টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, চাঁদপুর সদর উপজেলার কোঠরাবাঁধ মৃধা বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন সাজিদা বেগম নামে এক গৃহবধূ।
সাজিদা মৃধা বাড়ির জাকির হোসেন মৃধার স্ত্রী। জাকির পেশায় একজন রিকশাচালক। তাদের সংসারে ৯ বছরের একটি ছেলে ও ৫ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে।
সাজিদার স্বামী জাকির বলেন, রোববার রাত ১১টার দিকে সবাই খাওয়া দাওয়া করে ঘুমাতে যাই। রাত ৩টার দিকে শব্দ শুনে আমার ঘুম ভেঙে যায়। ঘুম থেকে জেগে সাজিদাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পই।
সাজিদার বাবা হাফেজ ঢালী বলেন, ১৪ বছর আগে পারিবারিক ভাবেই তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগেই ছিল। এ নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে কয়েক দফায় সালিশ বৈঠকও হয়। হাফেজ ঢালীর দাবি এটা আত্মহত্যা নয়, জাকির তাকে খুন করে ঝুলিয়ে রেখেছে।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল কাইয়ুম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মৃতদেহ দু’টি মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এএইচ





