যমুনার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জামালপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ ও বকশিগঞ্জের বিস্তীর্ণ এলাকা।
সবমিলিয়ে জেলার ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, সরিষাবাড়ি, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ ও বকশিগঞ্জ উপজেলার ৩০ টি ইউনিয়নের দেড় লক্ষধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

এদিকে মাদারগঞ্জ উপজেলার জোনাইল গ্রামে বন্যার পানিতে গোসল করতে গিয়ে বিল্লাল মিয়ার মেয়ে তিন্নি (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এসময় রেনি (৭) নামে আরওএক শিশু নিখোঁজ হয়।

মাদারগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওর্য়াড কাউন্সিলর মো. শওকত আলী শিশু মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে যমুনার পানি ২ সে. মি বেড়ে বৃহস্পতিবার সকালে বিপদসীমার ৩৬ সে.মি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে ব্রহ্মপুত্র পানিও। বন্যায় ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, সরিষাবাড়ি, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ ও বকশিগঞ্জ উপজেলার দেড় লক্ষধিক মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। দুর্গত এলাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যায় ছয় উপজেলার অন্তত ১৫ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ও সবজি খেত পানিতে তলিয়ে গেছে।

জেলা শিক্ষা অফিসার শামছুল হক খান জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি উঠায় মাধ্যমিক পর্যায়ের ২৭টি ও ৬৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. শাহাবুদ্দিন খান জানিয়েছেন, ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বন্যা দুর্গতের জন্য ১৮ মে. টন চাউল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা, ২১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই