নোয়াখালীর সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নের খলিসা টোলা গ্রামের আব্দুর রহিমের মেয়ে ও হাবিবুর রহমানের স্ত্রী রুমানা আক্তার রিতাকে অপহরণের ১৫ দিন পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
২০ এপ্রিল ওই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও রুমানা আক্তার রিতার ভগ্নিপতি বাবলুর বাড়িতে বেড়াতে গেলে একই গ্রামের গোলাম কবিরের বখাটে ছেলে কিরণ ও তার ভাঁড়াটিয়া ৩/৪ সন্ত্রাসীরা রাতে বসত ঘরের প্রাঙ্গন থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি রেখে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় রিতাকে।
রুমানা আক্তারের পিতা আব্দুর রহিম এদিক সেদিক খোজা খুজি করে না পেয়ে বাদী হয়ে অপহরণকারী গোলাম কবিরের ছেলে কিরণ সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জনকে আসামী করে পরদিন ২১শে এপ্রিল সুধারাম মডেল থানায় মামলা করেছে।
এলাকাবাসী জানান, সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নে খলিসা টোলা গ্রামের তালে মোঃ হাজী বাড়ির কৃষক আব্দুর রহিম গত ৭ মাস আগে তার মেয়েকে বেগমগঞ্জ নরোত্তমপুর ইউনিয়নের নরোত্তমপুর গ্রামে ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমানের কাছে বিয়ে দেয়।
গত ১৮ই এপ্রিল রুমানা আক্তার রিতা তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে যায়। পাশের গ্রামের বখাটে কিরণ আব্দুর রহিমের বাড়িতে দিনে আসা যাওয়া করে। এক পর্যায়ে বখাটে কিরণের কু-নজর পড়ে আব্দুর রহিমের মেয়ে রিতার ওপর।
ঘটনার দিন রুমানা আক্তার রিতা তার ভগ্নিপতি বাবলু চেয়ারম্যানের বাড়িতে বেড়াতে যায়। সন্ধ্যার পর ভিকটিম রিতা বসত ঘর থেকে বের হয়ে দরজায় অপর মেয়েদের সাথে গল্প গুজব করছে।
এ সময় পূর্ব থকে ওঁৎ পেতে থাকা বখাটে কিরণ ও তার ভাড়াটিয়া ৩/৪ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা ভিকটিমকে অস্ত্রমুখে জিম্মি রেখে সিএনজিতে তুলে জোর করে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।
এদিকে সুধারাম মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, অপহৃতা গৃহবধু রুমানা আক্তার রিতাকে উদ্ধার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এমকে





