প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকার মিরপুর ও বাসাবো এলাকায়।
রোববার দুপুরে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
সেব্রিনা বলেন, আপনারা জানেন মিরপুরের টোলারবাগে একজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিল, সেখানে আরও ৬ জন করোনায় আক্রান্ত হন। পুরো মিরপুরে এখন ১১ জনের শরীরে করোনার নমুনা পাওয়া গেছে। এছাড়া বাসাবোতে ৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
তিনি বলেন, নতুন আক্রান্তরা সবাই ক্লাস্টারের (একজন রোগীকে কেন্দ্র করে তার পরিবারের সবার আক্রান্ত হওয়া) অংশ। সংস্পর্শে এসে তারা আক্রান্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে ১১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আমরা ক্লাস্টার পেয়েছি নারায়ণগঞ্জ, মাদারীপুর, গাইবান্ধা, ঢাকার বাসাবো এবং মিরপুরে।
আইইডিসিআর পরিচালক আরও বলেন, সারাদেশের গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪টি কেন্দ্রে ৩৬৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৩ জনের পরীক্ষা আইইডিসিআরে হয়েছে। পাঁচ জনের অন্যান্য হাসপাতালে পরীক্ষা হয়েছে।
‘গত ২৪ ঘণ্টায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার বয়স ৫৫ বছর, তিনি পুরুষ। তিনি নারায়ণগঞ্জের অধিবাসী।
সেব্রিনা আরও বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১৮ জনের মধ্যে একজনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছর, দুজনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছর, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়স পাঁচজনের, ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়স তিনজনের, ৬০ বছরের বেশি বয়স একজনের। আক্রান্তদের মধ্যে ১৫ জন পুরুষ ও তিনজন নারী।
বিশ্বজুড়ে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে হু হু করে বাড়ছেই মৃতের সংখ্যা।
আজ পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৬৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সংখ্যাটা ৬৪ হাজার ৭৫৩ জন। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১২ লাখ। এ সংখ্যা ১২ লাখ ২ হাজার ২৩৬ জন।
এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি। এর সংখ্যাটা ২ লাখ ৪৬ হাজার ১৭৪ জন। গেল ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে প্রথম ছড়ায় প্রাণঘাতী এ ভাইরাস। দেশটিতে দ্বিতীয় দফায় তা ছড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
এএস





