প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘গার্ল সামিট’-এ যোগ দিতে সোমবার সকালে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার এই সম্মেলন শুরুর আগেই শেখ হাসিনা ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুনের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
প্রধানমন্ত্রী গার্ল সামিটে বাংলাদেশের নারীদের বাল্যবিয়ের ক্রমহ্রাসমান চিত্র এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের অগ্রগতি ও সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরবেন।
গার্ল সামিটেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার মতবিনিময় হবে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।
এই সফরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার তিনি দেশে ফিরবেন।
গত জানুয়ারিতে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর এটাই শেখ হাসিনার প্রথম যুক্তরাজ্য সফর।
অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিকভাবে গতিশীল পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ‘নারীর খৎনা প্রতিরোধ এবং নারীর জোরপূর্বক ও বাল্যবিবাহ নির্মূল’-কে মূল প্রতিপাদ্য ধরে বিশ্বে প্রথমবারের মতো গার্ল সামিট আয়োজন করছে যুক্তরাজ্য, যাতে সহ-আয়োজক হিসেবে রয়েছে জাতিসংঘ শিশু সংস্থা ইউনিসেফ।
গার্ল সামিট আয়োজনের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, খৎনা এবং জোর করে ও বাল্যবিয়ে নারীর অধিকার খর্ব করে ও তাদের বিকাশে ‘প্রতিবন্ধকতা’ সৃষ্টি করে।
নারীর খৎনা মূলত আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকলেও বাল্য ও জোর করে বিয়ে বিভিন্ন দেশেই রয়েছে। বিশ্বে এখন ২০ থেকে ২৪ বছরের যে নারীরা রয়েছে তাদের এক তৃতীয়াংশেরই বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর বয়সের আগে।
তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কারণে নারীর খৎনা, জোর করে বিয়ে ও বাল্যবিয়ে কমতে শুরু করেছে এবং এই সচেতনতা আরো বাড়ানোর লক্ষ্যে এই সম্মেলন আয়োজন করা হচ্ছে।
বাল্যবিয়ের ফলে অপরিণত বয়সে গর্ভধারণ করায় স্বাস্থ্য এমনকি মৃত্যুঝুঁকিতে পড়তে হয় নারীদের। এতে মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হারও বাড়ে। দারিদ্র্য ও অশিক্ষার কারণেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাল্যবিয়ে হয় বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে।
ঢাকা, ১৯ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই





