চট্টগ্রাম বন্দরে ব্যক্তিগত মালামালের আড়ালে কন্টেইনার ভর্তি ভারতীয় রুপি পাচার করে আনার ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ৫ আসামির ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম নওরিন আক্তার কাকন আসামিদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের আদেশ দেন।
আসামিরা হলেন- দুবাই থেকে ভারতীয় রুপি বোঝাই কন্টেইনার খালাসের দায়িত্বে থাকা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ফ্ল্যাস ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান শামীমুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসাদউল্লাহ, আহমদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম কাস্টমসের গোয়েন্দা বিভাগের টি-বয় মোহাম্মদ ছাবের, চালানটির মালিক শাহেদুজ্জামানের ছোট ভাই তৌহিদুল আলম।
এই মামলার মূল আসামিদের মধ্যে দুবাই থেকে রুপির চালানের প্রেরক শাহেদুজ্জামান বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ জানান, চট্টগ্রাম বন্দরে দুবাই থেকে আসা কন্টেইনার ভর্তি ভারতীয় রুপি আটকের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ৫ আসামির ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানায় চট্টগ্রাম বন্দর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, গত ১৮ সেপ্টেম্বর দুবাই থেকে ব্যক্তিগত দ্রব্যসামগ্রী ঘোষণা দিয়ে কয়েকটি কন্টেইনার বোঝাই মালামাল আনা হয় চট্টগ্রাম বন্দরে। এর মধ্যে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বন্দরের শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা একটি কন্টেইনারের ৪টি কার্টনে তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় রুপির সন্ধান পান। পরে গণনা শেষে সেখানে ২ কোটি ৭১ লাখ ৭৬ হাজার ৫০০ ভারতীয় রুপি পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় কন্টেইনার প্রেরণকারী মূল মালিকসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মুদ্রা পাচার আইনে মামলা দায়ের করে শুল্ক গোয়েন্দা তদন্ত অধিদপ্তর।
এমআর





