ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারি ও খাস পুকুর খননে অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে জানা যায় চলতি অর্থ বছরে রংপুর অঞ্চলের মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২ কোটি টাকা বরাদ্দের মৎস্য অধিদপ্তরের খামার ও গুচ্ছগ্রাম এলাকায় খাস পুকুর খনন শুরু হয়েছে। কিন্তু তালিকা ভুক্ত পুকুর গুলো আগেই খনন ছিল। প্রকল্প ভুক্ত পুকুর গুলোর যেনতেন কাজ দেখিয়ে সরকারি অর্থ লোপাট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সদর উপজেলার গড়েয়া আবাসন প্রকল্প এলাকায় ৬ লাখ টাকা দেখিয়ে পুকুর খননের বরাদ্দ নেয়া হয়েছে। উপকার ভোগী সোহেল রানা অভিযোগ করে বলেন,সর্বোচ্চ ৩-৪ লাখ টাকা পুকুর খনন কাজে সরকারি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। বাকি টাকা পকেটস্থ করা হয়। একই অভিযোগ পীরগঞ্জ উপজেলার বড়বাড়ি পুকুর খননে। এই পুকুর খননে ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেখানো হয়েছে। হরিপুর উপজেলার কালিপুকুর ৪লাখ ও আমগাঁ পুকুর খননে ৫ লাখ টাকার কাজ না করে নাম মাত্র কাজ দেখিয়ে প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
সুত্র জানায় মৎস্য বিভাগের এক শ্রেণীর কর্মকর্তার যোগ সাজসে স্থানীয় জন প্রতিনিধির ডিও লেটার সংগ্রহ করে একটি চক্র প্রকল্প পরিচালককে মোটা অংকের উৎকোচ দিয়ে এসব কাজ হাতিয়ে নিয়ে সরকারি অর্থ লোপাট করছে। জানা গেছে,বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ১৮ লাখ,পীরগঞ্জের ৪টি পুকুর ১৮ লাখ ও সদর উপজেলার মৎস্য অধিদপ্তরের খামার খননে ১৪ লাখ টাকা পুকুর খননের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু এ সব পুকুর খননে যে পরিমান অর্থ ব্যয় দেখানো হয়েছে। তবে ঐ পুকুর গুলো খননে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড.নিয়াজ উদ্দিন বলেন,প্রকল্প কাজ এখনও প্রায় ৩০ ভাগ বাকি রয়েছে। কাজ শেষের পরে বলা যাবে এখানে দূর্নীতি হয়েছে কি না।
সোহেল পারভেজ/জেড





