অর্থের অভাবে মানবিক জীবনযাপন করা পটুয়াখালীর সেই দম্পতির পাশে দাড়িয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তাদের কাছে জামা-কাপড়সহ খাদ্যসামগ্রী ও শীতবস্ত্র পৌঁছে দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত পটুয়াখালীর অতি দরিদ্র দম্পতি যাদের পুরুষ মানুষটির লুংগী না থাকায় স্ত্রীর ওড়না পরিধান করছেন। দম্পতির নাম মো. সুলতান ডাক্তার (৯৫) ও সকিনা বেগম (৭০)।
এ সংবাদ দেখে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের নির্দেশনায় রাতেই পটুয়াখালী জেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ খাদ্য, বস্ত্র ও কম্বল নিয়ে এ দম্পতির বাসায় যান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াত ইসলামী পটুয়াখালী জেলা সেক্রেটারি এডভোকেট নাজমুল আহসান, জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক এমএ সালাম খান, জেলা সহকারী সেক্রেটারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম আল কায়সারি, পৌরসভা আমীর মাওলানা আবুল বাশারসহ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
৯৫ বছরের বৃদ্ধ সুলতান এলাকায় সুলতান ডাক্তার নামে পরিচিত। পটুয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১ম লেন বোহালগাছিয়া এলাকায় সত্তরোর্ধ্ব স্ত্রী সকিনা বেগমকে নিয়ে থাকেন তিনি। এই দম্পতির দুই ছেলে মোস্তফা ও মোশাররফ। তারা যে যার মতো থাকেন। বাবা-মায়ের খোঁজ নেন না।
যতদিন শরীরে শক্তি ছিল, কাজ করেই সংসার চালাতেন মো. সুলতান। তখন ভালোই চলছিল সুলতান-সকিনা দম্পতির সংসার। এখন বয়সের ভারে কাজ করতে পারেন না তাই অভাব হয়েছে নিত্যসঙ্গী। দুই ছেলেও খোঁজ-খবর নেন না। থাকেন অন্যের জমিতে তোলা ভাঙা ঘরে। জোটে না দুবেলা খাবার।

ভিক্ষা করে লোকের বাড়ি থেকে চেয়ে আনা পান্তা ভাত শুকিয়ে চাল হলে সেগুলো ফের রান্না করে খান। এভাবেই লোকের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে খাবার যোগাড় করেন সুলতানের স্ত্রী সকিনা বেগম।
জামায়াতে ইসলামী সব সময় অসহায় দুস্থ মানুষের পাশে থেকেছে। সাধ্য মতো সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে, এই ধারা অব্যাহত থাকবে সব সময়। আসুন আমরা সবাই যার যার সাধ্য মতো অসহায় মানুষের পাশে দাড়াই। সুখি সমৃদ্ধশালী, সুষম সমাজ বির্নিমানে, ইসলামী সমাজ কায়ের পথে এগিয়ে যায়। প্রেস-বিজ্ঞপ্তি
এএস





