একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর মরদেহ মানিকগঞ্জে এসেছে। এদিকে মীর কাশেমের স্বজনদের মোবাইল জব্দ করেছে পুলিশ।

রাত ২টা ৩০ মিনিটে মানিকগঞ্জের এসেছে মীর কাসেমের মরদেহ বহনকারি অ্যাম্বুলেন্স। 

মীর কাসেম আলীর স্বজনরা জানায়, বাড়ীতে আসার পর সবার মোবাইল নিয়ে নেয় পুলিশ।

শনিবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে তার ফাঁসি কার্যকর হয়। এরপর রাত ১২টা ৩০ মিনিটে অ্যাম্বুলেন্সে করে কাশিমপুর কারাগারের ভেতর থেকে মীর কাসেমের মরদেহ নিয়ে মানিকগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

মীর কাসেমের লাশ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে গাড়িবহরে রয়েছে পুলিশের তিনটি, র‌্যাবের দুটি গাড়ি।

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে মীর কাসেমকে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছে তার স্ত্রী খন্দকার আয়েশা খাতুন।

এর আগে শনিবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে ‘বাংলাদেশ পুলিশ’ লেখা সম্বলিত তিনটি অ্যাম্বুলেন্স কারাফটকে এসে দাঁড়ায়।

এর কিছুক্ষণ পর সেগুলো ভেতরে ঢোকানো হয়। এখন ওই তিন অ্যাম্বুলেন্সের একটিতে মীর কাসেম আলীর মরদেহ নেওয়া হচ্ছে।

এমবি