পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি করায় নড়াইলের বড়দিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবিএম কামরুজ্জামানকে (৫২)। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক কিল-ঘুষি মেরে গুরুতর আহত করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধবার (১২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিক্ষক মিলনায়তনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামানকে প্রথমে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার নাক দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক কোটাকোল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রধান শিক্ষক এবিএম কামরুজ্জামান জানান, বুধবার সকালে শিক্ষক মিলনায়তনে এসে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে নামে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য আব্দুর রাজ্জাক তার কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে কিল-ঘুষি মেরে রক্তাক্ত করেন। এদিকে অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী বুধবার সকালে প্রধান শিক্ষকের কাছে ৩০০ টাকা দাবি করলে এ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান তিনি (প্রধান শিক্ষক)। বিষয়টি জানার পর আমি বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে টাকা দিতে অনুরোধ করি,স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বৈশাখী মেলার জন্য পাঁচ হাজার টাকা দাবি করে টাকা না দেওয়ায় তাকে লাঞ্চিত করা হয়। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমই/উজ্জ্বল রায়





