ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ বলেছেন, 'ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।'

তিনি বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য মোঃ আফজাল হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, "সর্বশেষ জরিপে প্রণীত মৌজাম্যাপ ও খতিয়ানের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের অবশিষ্ট ৫৫টি জেলার সকল উপজেলা বা সিটি সার্কেলের ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (ডিএলএমএস) প্রস্তুতকরণ ও প্রবর্তন এবং সকল মৌজার সি এস (ক্যাডাস্ট্র্যাল সার্ভে), এস এ (স্টেট একুইজিশন) ও আর এস (রিভিশনাল সার্ভে) জরিপে প্রণীত বিদ্যমান মৌজাম্যাপ ও খতিয়ান সম্বলিত ডিজিটাল ভূমি তথ্য ব্যবস্থা (ডিএলআইএস) প্রতিষ্ঠা করার জন্য সম্পূর্ণ জিওবি অর্থে 'ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ, রেকর্ড প্রণয়ন ও সংরক্ষণ প্রকল্প' (১ম পর্যায় : কম্পিউটারাইজেশন অব এক্সিসটিং মৌজাম্যাপস এন্ড খতিয়ান প্রজেক্ট) প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।"

এটুআই থেকে দেয়া ১ম সফটওয়্যারের মাধ্যমে ৫২টি জেলায় ৪৩ লাখ খতিয়ান এবং ইএলআরএস সফটওয়্যারের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জ, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলায় গত ৬ জুন পর্যন্ত ২৬ লাখ ১১ হাজার ৩০৬টি খতিয়ানের ডাটা এন্ট্রি হয়েছে বলেও তিনি এ সময় জানান।

৩টি সিস্টেমে এ পর্যন্ত মোট ৯২ লাখ ৪৯ হাজারটি খতিয়ানের ডাটা এন্ট্রি হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, 'এটুআই প্রস্তুতকৃত নতুন সফটওয়্যারে উপর প্রশিক্ষণ সমাপান্তে ৫০টি জেলায় নতুন সফটওয়্যার জিআরআর'র মাধ্যমে গত মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত ২৩ লাখ ৩৭ হাজার ৬৯৪টি খতিয়ানের ডাটা এন্ট্রি করা হয়েছে।'

জাতীয় পাটি'র সদস্য এ কে এম মাঈদুল ইসলামের অপর এক প্রশ্নের জবাবে ভূমিমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের ৭টি জেলার ৪৫টি উপজেলায় ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (ডিএলএমএস) প্রস্তুতকরণ ও প্রবর্তন এবং জনগণকে ভূমির তথ্যাদি সম্পর্কিত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ২০টি উপজেলায় ২০টি ভূমি তথ্য সেবা কেন্দ্র (ল্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিস সেন্টার) স্থাপনের নিমিত্ত আন্তর্জাতিক ক্রয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আর্থিক সহায়তায় 'স্ট্রেংদেনি গভর্ন্যান্স ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট (কম্পোনেন্ট-বি)' শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।" -বাসস।

এসএ