খাগড়াছড়িতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগ-বিএনপি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় উভয় পক্ষ্যের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

সংঘর্ষে পুলিশসহ উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছে।আটক করা হয়েছে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মিল্লাতসহ ৪ জনকে। আহতদের মধ্যে জেলা বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম এন আবছারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রামে প্রেরণ করা হয়েছে।

সংঘর্ষের জন্য পাল্টা পাল্টি অভিযোগ করেছে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি। ঘন্টাব্যাপি চলা সংঘর্ষে পুলিশের এএসআই রাসেল, কনস্টেবল মাসুদ, জেলা বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এম এন আবছার, বিএনপি নেতা মোমিন আলী, রবিউল, দেলোয়ার, নাছির তালুকদার ও খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আনিসুল আলম,রবিউল,দেলোয়ার,নাছির তালুকদারসহ উভয় পক্ষ্যের ২৫ জন আহত হয়েছে।

সংঘর্ষের বিষয়ে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলম জানান, জেলা বিএনপি’র বিজয় দিবসের র‌্যালী থেকে বিনা উস্কানিতে আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে অন্তত ৬ নেতাকর্মীকে আহত করেছে।

অপরদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা বিএনপি সভাপতি ও সাবেক সাংসদ ওয়াদুদ ভূইয়া জানান, আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলম সমর্থিতরা তাদের কার্যালয় থেকে বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ র‌্যালীতে হামলা চালিয়ে ৮ নেতাকর্মীকে আহত করে।

কিন্তু পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করে উল্টো লাঠিচার্জ ও আটক করে নিয়ে যায়। আটক নেতাকর্মীদের উপর হামলা করা হয়েছে দাবি করে অবিলম্বে তাদের মুক্তির দাবী জানান তিনি।

খাগড়াছড়ি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আবদুল হান্নান জানান জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়ার নেতৃত্বে স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে আসার সময় নারিকেল বাগানস্থ আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সামনে এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় দলের নেতাকর্মীরা।

এসময় তারা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইট- পাটকেল নিক্ষেপ করলে উভয় পক্ষের ২৫ নেতা-কর্মী আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন আনতে পুলিশ ১০ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুঁড়ে। এসময় ৪ বিএনপি নেতাকর্মীকে আটক করা হয়।

আবু বকর / মাহমুদ