সিলেটে অস্ত্র ও নগদ টাকাসহ দুই ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো- মো. জাকির হোসেন (৩৫) ও ইসলাম উদ্দিন (২৭)। এসময় আটক জাকিরের কাছ থেকে একটি চাপাতি, ইসলাম উদ্দিনের কাছে ধারালো দা ও ঘটনাস্থল থেকে আরও তিনটি দা, একটি লোহার পাত, আলমারি, শোকেস, ড্রয়ার খোলার বিভিন্ন আকৃতির ২৮টি চাবি সম্বলিত রিং উদ্ধার করা হয়।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) শনিবার নগরীর উত্তর বালুচর টিবি গেট ছড়ারপাড় এলাকা থেকে তাদের আটক করে। ডিবি পুলিশের রাত্রীকালীন অভিযান পার্টির ইনচার্জ পরিদর্শক শাহ্ মো. হারুন-অর-রশীদের নেতৃত্বে ডাকাতদলের সদস্যদের আটক করা হয়। সিলেট মহানগর পুলিশের মুখপাত্র (এডিসি) রহমত উল্লাহ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, আন্তঃজেলা কুখ্যাত ডাকাতদলের ১৪/১৫ জনের একটি দল বালুচর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। পুলিশ অভিযান চালিয়ে দু’জনকে আটক করতে সক্ষম হলেও বাকিরা পালিয়ে যায়। আটকরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, বালুচর এলাকায় ডাকাতি সংগঠনের উদ্দেশ্যে তাদের দলনেতা তারিফ হোসাইন তারেক ওরফে তারেক নাইক্যাসহ (৩২) ১৪/১৫ জন অস্ত্রশস্ত্রসহ জড়ো হয়েছিল।

পলাতক ডাকাত সর্দার তারেক নগরীর খোজারখলার শমশের আলীর ছেলে। এছাড়া পলাতক সুনামগঞ্জের দুয়ারাবাজারের মৃত আব্দুল মমান্নানের ছেলে সেলিম (৩৫), মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ থানাধীন ভানুগাছ এলাকার মৃত ফুল মিয়ার ছেলে আল-আমিন (৩৫), একই জেলার সরকারবাজার এলাকার সোহেল মিয়া (৩২), সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ঘাগড়া গ্রামের মৃত ইদু মিয়ার ছেলে মো. হেলাল মিয়া ওরফে বড় হেলাল (৪২), একই জেলার পাগলা এলাকার দিলু মিয়া (৩৫), খুলনা জেলার রূপসা থানাধীন তেলীবাহার এলাকার ইয়াকুব আলীর ছেলে ও সিলেটের দক্ষিণ সুরমার তেলীবাজার এলাকার বাসিন্দা মো. লিটন মিয়া (২৭), মহানগরীর দক্ষিণ সুরমার এনাম মিয়ার কলোনির বাসিন্দা শহীদুল (৩৫)।

পরে আটকদের তথ্যে ডাকাত সর্দার তারিফ হোসেনের ভাড়া বাসা থেকে (সাবেক চেয়ারম্যান মোছাব্বির মিয়ার বাড়ি) একটি রাম দা, একটি চাপাতি ও কালো পলিথিনে মোড়ানো এক হাজার টাকা নোটের তিনটি বান্ডিলে তিন লাখ টাকা এবং পাঁচশত টাকা নোটের দু’টি বান্ডিলে এক লাখটাকাসহ মোট চার লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। তবে তারেক ডাকাতের স্ত্রী লাকি বেগমকে উদ্ধার টাকা ও অস্ত্র সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি।

এম এ