সাতক্ষীরার দেবহাটার ঘোনাতলা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নূরুল আমিন (৪০) নামের এক জামায়াত কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সে দেবহাটার গরানবাড়িয়া গ্রামের আকবর আলী গাজীর ছেলে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি রাম দা, দু'টি লোহার রড ও বিস্ফোরিত বোমার অংশ বিশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের দুই সদস্য সামান্য আহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ নূরুল আমিনের বিরুদ্ধে দুটি হত্যাসহ ছয়টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ বলছে,নাশকতার পরিকল্পনা করার সময় পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে জামায়াত সমর্থকরা তাদের ওপর বোমা হামলা চালায়। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালালে জামায়াত কর্মী নূরুল আমিন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের তথ্য কর্মকর্তা এসআই কামাল হোসেন জানান, শনিবার রাত দেড়টার দিকে দেবহাটা থানা পুলিশ খবর পায় ঘোনাতলা গ্রামের জাকির মেম্বরের দোকানের পাশে জামায়াত-শিবির সমর্থকরা নামকতার পরিকল্পনা করছে। এ সময় দেবহাটা থানা পুলিশ সেখানে অভিযানে নামলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা বিস্ফোরণ ঘটনায়।

পুলিশ এ সময় কয়েক রাউন্ড গুলি চালালে জামায়াত নেতা নূরুল আমিন গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নূরুল আমিনকে গ্রেফতার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

গুলিবিদ্ধ নূরুল আমিন দেবহাটার আওয়ামী লীগ নেতা আবু রায়হান ও আল আমিন হত্যাসহ ছয় মামলার আসামি। দীর্ঘদিন সে পলাতক ছিল। সম্প্রতি এলাকায় ফিরে আবারও জামায়াত-শিবিরকে সংগঠিত করছিল সে। তার বাম পায়ের হাঁটুর নীচে গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমানজানান, গুলিবিদ্ধ নূরুল আমিন জামায়াতের দায়িত্বশীল কেউ নন। তবে তিনি জামায়াতের একজন সক্রিয় কর্মী বলে দাবি ওই জামায়াত নেতার।

কেএইচ