ধর্ম অবমাননাকর বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে করা মামলায় তাকে গ্রেফতারে কোনো সংসদীয় বাধা নেই।
সংসদ অধিবেশন চলা অবস্থায়ও পুলিশ প্রশাসন তাকে গ্রেফতার করতে পারে, এজন্য স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন নেই বলেও সংবাদিকদের জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী শুধুমাত্র সংসদ লবি, গ্যালারি, চেম্বার থেকে কোনো সংসদ সদস্যকে গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে স্পিকারের অনুমতি প্রয়োজন হয়। এছাড়া কোনো অনুমতি লাগে না।’
দশম জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশনে সোমবারের কার্য দিবস শুরু হওয়ার আগে স্পিকার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যেটা বলেছেন তা ভুল। এখানে স্পিকারের কোনো বিষয় না। তবে প্রচলিত আইনে সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার ১৪ দিন আগে ও সংসদ অধিবেশন শেষ হওয়ার ১৪ দিন পর্যন্ত কোনো সিটিং এমপিকে গ্রেফতার করা যাবে না বলা আছে। এটিও ১৯৬৩ ও ১৯৬৫ সালের পাকিন্তান আমলের আইনে বলা আছে। সেই আইনের কারণেই তাকে গ্রেফতার নিয়ে বিভ্রান্তি হচ্ছে।’
স্পিকার বলেন, ‘তবে কোনো সংসদ সদস্যকে গ্রেফতার করা হলে তাকে (স্পিকারকে) অবহিত করার বিধান রয়েছে। এক্ষেত্রে স্পিকার সংসদে থাকলে সংসদে জানাতে হবে, না থাকলে চিঠি দিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘অধিবেশন চলাকালে কোনো সংসদ সদস্য গ্রেফতার করা হওয়ার বিষয় আমাকে অবহিত করা হলে আমি সংসদে তা পাঠ করে শোনাবো।’
এসময় তিনি বলেন, ‘নবম জাতীয় সংসদে স্পিকার থাকাকালীন সময়ও সিটিং এমপিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আমাকে অবহিত করার পর আমি সেটা সংসদে পাঠ করে শুনিয়েছি।’
সরকারের পক্ষ থেকে লতিফ সিদ্দিকীর সংসদ সদস্য পদ বাতিল করা প্রসঙ্গে কোনো চিঠি দিয়েছে কি না, জানতে চাইলে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাকে কিছুই বলা হয়নি। আমি জানি না।
এমনকি লতিফ সিদ্দিকী আসার আগেও স্পিকারকে অবহতি করা হয়নি বলে জানান ড. শিরীন শারমিন।
জেআই





