আজ বৃহস্পতিবার মাগুরায় দুর্গাপূজার মহাষ্টমী ও কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। মাতৃভাবে কুমারী কন্যাকে জীবন্ত প্রতিমা করে তাতে জগজ্জননীর উদ্দেশে শ্রদ্ধা নিবেদন করাই কুমারী পূজা।

শাস্ত্রমতে, এদিন মা দুর্গার অপর কোনো নামে কুমারীর নামকরণ করা হবে।

কোনো ছোট শিশুকন্যাকে ‘কুমারী মা’-এর আসনে বসানোর পরপরই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মণ্ডপে শুরু হবে কুমারী পূজার আনুষ্ঠানিকতা। ১৬টি উপকরণ দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতার সূত্রপাত। এরপর অগ্নি, জল, বস্ত্র, পুষ্প ও বাতাস এই পাঁচ উপকরণে দেওয়া হয় ‘কুমারী’ মা’-এর পূজা।

অর্ঘ্য প্রদানের পর দেবীর গলায় পরানো হবে পুষ্পমাল্য। পূজার শেষে প্রধান পূজারি দেবীর আরতি নিবেদন করে দেবীকে প্রণাম করবেন। পূজার মন্ত্র পাঠ করে ভক্তদের মধ্যে চরণামৃত বিতরণের মধ্য দিয়ে ৪০ মিনিট পর শেষ হবে পূজার আনুষ্ঠানিকতা।

জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব কুন্ডু বলেন, ‘৪০ মিনিট সময় নিয়ে কুমারী পূজা সম্পন্ন হওয়ার পর হবে সন্ধি পূজা। দুপুরে পূজার্থী ও দর্শনার্থীর মধ্যে প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

এদিকে বুধবার সন্ধ্যায় মাগুরায় দূর্গা পূজায় বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেছেন খুলনা রেঞ্জের পুলিশের ডিআইজি এসএম মনির-উজ-জামান।

খুলনা বিভাগের সবকটি জেলাতে পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি মাগুরা শহরের জামরুলতলা পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন। সেখানে তার সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাগুরার পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব কুন্ডু, জামরুলতলা পূজা কমিটির সভাপতি পংকজ কুন্ডু সহ নেতৃবৃন্দ।

এরপর তিনি একে একে শহরের সাহাপাড়া, কালি বটতলা, নান্দুয়ালী নিতাই গৌর গোপাল সেবাশ্রমসহ বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

এসএইচ