অবশেষে এবার হুন্ডি ব্যবসায়ী এ আরএস ইঞ্জিনিয়ারিং  প্রতিষ্ঠানের  মালিক মো. আমিনুল ইসলাম ও সুবল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক।

জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ  বিভিন্ন  প্রতিষ্ঠানের একাধিক চক্র পরিকল্পিতভাবে জালিয়াতি, প্রতারণা এবং হুন্ডি ব্যবসায়ের নামে বাংলাদেশ থেকে কোটি  কোটি টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে। কিন্তু এদেশের  বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাগ এবং প্রশাসনের নিরবতার সুযোগে ওই হুন্ডি ব্যবসায়ি চক্র আরো শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। আর  হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করা অর্থ দেশে ফেরত আনার বিষয়ে এখনো সুনিদিষ্ট কোনো পদক্ষেপ নেই সরকারের।

আরো জানা যায়,  বিনা বাধায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে মাঝে মধ্যে জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। কিন্তু প্রশাসন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায়, তারা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে। সম্প্রতি একাধিক জাতীয় দৈনিক পত্রিকার মালিককে  আদালতের মাধ্যমে কারণ দশাতে বলা হয়েছে।

কেনো তারা কোন তথ্যেও ভিত্তিতে হুন্ডি ব্যবসায়িদের সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। শুধু তাইনয় হুন্ডি ব্যবসায়িদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশের ঘটনায় মিডিয়ার মালিক এবং প্রতিবেদকদের উল্টার হয়রানি করছে এমন অভিযোগও পাওয়া গেছে।

এদিকে গত মঙ্গলবার ৬ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নিয়মিত সভায় এ আরএস ইঞ্জিনিয়ারিং  প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা হুন্ডি ব্যবসা ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান করে মানিলন্ডারিং আইনে মামলার জন্য প্রতিবেদন দাখিলের সিদ্ধান্ত দেয়া হয়।

দুদকের পরিচালক মো. গোলম ইয়াহিয়ার তত্বাবধানে উপ পরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীকে ‘এ আরএস ইঞ্জিনিয়ারিং’’র  মালিক মো. আমিনুল ইসলাম ও সুবল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা হুন্ডি ব্যবসা ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের  বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন দাখিলের দায়িত্ব দেয়া হয়।

ঢাকা, একে, ৬ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ