চেক চুরি করে স্বাক্ষর জালিয়াতি করার অভিযোগে লক্ষীপুরে এ এইচ এম বাহা উদ্দিনসহ মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিঃ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা প্রতারণায় মামলা করেছেন এক ব্যবসায়ী।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই নোয়াখালীকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। যাহার সিআর ১১৯৪/১৮ (সদর)। শনিবার সকাল ১০ টায় সংশ্লিষ্ট মহল থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) লক্ষীপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্টেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন পৌর ১১ নং ওয়ার্ডের আটিয়াতলী গ্রামের মোঃ শাহদাত হোসেন রিপন। তিনি মেসার্স রুপম এন্ড ব্রাদার্স এর স্বত্ত্বাধীকারী।

মামলার আসামিরা হলেন, পৌর ৩নং ওয়ার্ডস্থ বাঞ্চানগর গ্রামের হাফেজ হাসানের ছেলে এএইচএম বাহার উদ্দিন বাহার (৩০) ও মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিঃ লক্ষীপুর শাখার এক্সিকিউটিভ অফিসার মিনহাজ ইয়াছমিন (৩৫)।

মামলার এজাহারে রিপন অভিযোগ করেছেন, এ এইচ এম বাহার উদ্দিন কিছু দিন যাবত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স রুপম এন্ড ব্রাদাস এর সাইট উন্নয়ন কাজ দেখাশুনা করতো।

গত বছর মনোমালিন্যতার জের ধরে সদর রিপনের দুটি চেক চুরির অভিযোগ আনা হয় বাহারের বিরুদ্ধে।

পরে রিপনের স্বাক্ষর জাল করে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লক্ষীপুর শাখায় উপস্থাপন করা হয়। চেকটি নগদায়নের জন্য মার্কেন্টাইল ব্যাংক লক্ষীপুর শাখায় প্রেরণ করেন। কিন্তু ব্যাংক কর্মকর্তা স্বাক্ষর যাচাই-বাছাই না করে চেক নং- সিএ ১৪৫২১৪৪ ডিজঅনার করেন।

আরো উল্লেখ করা হয়, ওই ডিজঅনারকৃত চেক দিয়ে গত বছর শাহদাত হোসেন রিপনের বিরুদ্ধে একটি সিআর ১০০৭/১৭ মামলা দায়ের করেন। তবে, চেকের স্বাক্ষরটি যাচাইয়ের (ফরেনসিক) জন্য লক্ষীপুর ২য় দায়রা জজ কোর্টে আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি আমলে না নিলে মহামান্য হাইকোটে রিট ফিটিশন দায়ের করেন বলে জানান রিপন। বর্তমানে সত্যতা যাইয়ের জন্য মামলাটি হাইকোর্টে চলমান রয়েছে।

শাহদাত হোসেন রিপন বলেন, বাহারউদ্দিন আমার সাথে প্রতারণা করেছে। এছাড়াও ওই প্রতারকের যোগসাজসে ব্যাংক কর্মকর্তা মিনহাজ ইয়াছমিন নিয়ম-নীতি অনুসরণ না করে তড়িৎ গতিতে চেক ডিজঅনার করান। এতে তিনি আর্থিকভাবে এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন রিপন।

আলমগীর/জেড