নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার সোনাদিয়া ইউনিয়নে আওয়ামলী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে হামলা ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এসময় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে হামলাকারীরা।

বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে চরচেঙ্গা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে হাতিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হচ্ছেন- চরচেঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. খলিল উল্ল্যা, আওয়ামী লীগ কর্মী ইসমাইল হোসেন, আমির হোসেন, রফিকুল ইসলাম, মো. রাশেদ, কামরুল ইসলাম, বেলায়েত হোসেন, রিয়াজ, ডা. আনোয়ার, মো. জুয়েল, হাশেম মেম্বার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদ্য শেষ হওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী ইয়াছিন আরাফাত কানুর দলের কর্মী রুহুল আমিন কোম্পানী রাত সাড়ে ৯টার দিকে চরচেঙ্গা বাজারে আসে। এসময় তাকে কে বা কারা মারধর করেছে বলে সে ওই বাজারে তার দলের লোকজন একত্রিত করে। পরে তারা একত্রিত হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনিত জয়ী চেয়ারম্যান নূর ইসলাম মালেশিয়ার দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পরে হামলাকারীরা কয়েক দফায় বাজারের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে চরচেঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. খলিল উল্ল্যাসহ ১১ নেতাকর্মীকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিছুল হক জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ইয়াছিন আরাফাত কানুর লোকজন চরচেঙ্গা বাজারে নূর ইসলাম মালেশিয়া চেয়ারম্যানের লোকজনের ওপর হামলা চালিয়েছে। হামলায় মালেশিয়া চেয়ারম্যানের কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

 

এমআইএস।