বয়সের ভারে জর্জরিত বিআইডব্লিউটিসির যাত্রীবাহী ৫টি জাহাজ। সবচেয়ে পুরোনো জাহাজের বয়স ৮৬ আর কম পুরোনোটির বয়স ৬৩ বছর। বৃটিশ আমলের জাহাজগুলো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে যাত্রী নিয়ে প্রায়ই বিকল হচ্ছে।
মাষ্টাররা জানান, ঝুঁকি নিয়ে জাহাজ চালাচ্ছেন তারা। বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান জানালেন, বহরে আরও নতুন জাহাজ যুক্ত হবে। পর্যায়ক্রমে বাদ দেয়া হবে পুরাতন জাহাজ।
পিএস মাহসুদ, পিএস অস্ট্রিচ, পিএস টার্ণ, পিএস লেপচা এবং এমভি সেলা, এক সময় এই জাহাজ গুলো নৌ-যাত্রীদের প্রিয় বাহন ছিল। ঝড়-বৃষ্টি কিংবা ছোট-খাটো দুর্যোগেও এগুলোকে নিরাপদ মনে করা হতো। কিন্তু বয়সের ভারে জাহাজগুলো এখন আর আগের মত নেই। সবগুলোই জীবনী শক্তি হারিয়েছে বহু আগে।
পিএস লেপচার মাষ্টার আতাউর রহমান জানান, ৭৬ বছর বয়সী এই জাহাজ এর সব যন্ত্রাংশই অত্যন্ত পুরোনো, তারা অনেক আতংকের মাঝে চলাচল করেন।
পিএস মাহসুদের মাষ্টার আব্দুস সালাম হাওলাদার বলেন, এটিও অনেক পুরোনো জাহাজ এবং কোন আধুনিক যন্ত্রপাতি না থাকায় তাদের অনেক ঝুঁকির মাঝে চলতে হয়।
বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান জানান,বহরে শিঘ্রই নতুন জাহাজ যুক্ত হতে যাচ্ছে, এরপর পর্যায়ক্রমে বাদ দেয়া হবে পুরাতন জাহাজ।
মিজানুর রহমান আরও বলেন, খুব দ্রুতই এই রুটে দুটি নতুন আধুনিক জাহাজ যুক্ত করা হবে।
১৯২৮ সালে পিএস মাহসুদ, ১৯২৯ সালে পিএস অস্ট্রিচ, ১৯৩৫ সালে পিএস টার্ণ, ১৯৩৮ সালে পিএস লেপচা এবং ১৯৫১ সালে এমভি সেলা তৎকালীন ভারতের বিভিন্ন ডকইর্য়াডে নির্মান করা হয়।
ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





