বগুড়ায় পুলিশ পাহারায় যানবাহন চলাচল শুরু করলেও অবরোধকারীরা চারটি গাড়িতে আগুন দিয়েছে। ভাঙচুর করেছে বেশ কয়েকটি গাড়ি। ফলে মহাসড়কে কমে গেছে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল।

শনিবার ভোর ৫টার দিকে চারমাথা এলাকায় মুক্তি বিড়ি ফ্যাক্টরির সামনে একটি ট্রাকে আগুন দেয়া হয়।

শুক্রবার রাত ১২টার দিকে মহাসড়কে বাঘোপাড়া এলাকায় আগুন দেয়া হয় একটি কাভার্ড ভ্যানে।

রাত ১০টার দিকে বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে শহরতলীর ঝোপগাড়ি এলাকায় একটি ট্রাকে আগুন দেয় অবরোধকারীরা।

এ ছাড়াও রাত ৮টার দিকে শহরের কৈগাড়ি এলাকায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় আগুন দেয়া হয়।

পুলিশ পাহারায় এসব যানবাহন চলাচল শুরু করলে অবরোধকারীরা মহাসড়কের মহাস্থান, গোকুল, বাঘোপাড়া, বারপুর, চারমাথা, শাজাহানপুর ছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করে।

একপর্যায় পুলিশের তৎপরতায় অবরোধকারীরা নতুন কৌশল অবলম্বন করেছে। তারা তিন পা বিশিষ্ট একধরনের সুচালো কাটা মহাসড়কে ছিটিয়ে দেয়। ফলে অসংখ্য যানবাহনের চাকা ফুটো হয়ে মহাসড়কে বিকল হয়ে পড়ে। সেই সুযোগে গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা।

বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল বাশার বলেন, অবরোধকারীরা হামলা চালিয়ে চারটি গাড়িতে আগুন দিয়েছে। ভাঙচুর করেছে বেশ কয়েকটি গাড়ি।

শাজাহানপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন জানান, মহাসড়কে বিচ্ছিন্নভাবে যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুর ১২টায় বগুড়া সার্কিট হাউজে মালিক শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে প্রশাসনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ২০ দলীয় জোটের ঢাকা টানা অবরোধের মধ্যে বগুড়া থেকে সকল রুটে পরিবহণ চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর ফলে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল শুরু হয়।

কেএইচ