আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনকে ঘিরে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তার পাশাপাশি নতুন ট্রাফিক নির্দেশনা দিয়েছে ডিএমপি। ফলে যানবাহন আজ কম দেখা গেছে রাস্তায়।
এছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছে যাত্রীদের।
শনিবার সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন পথে যানবাহন সংকটের কারণে বেশ দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বাস না পেয়ে অনেকে হেঁটেই চলেছেন গন্তব্যের দিকে।
সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শাহবাগ, কারওয়ানবাজার, মিরপুর, কল্যাণপুর, গাবতলী, আগারগাঁও, মহাখালী গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তায় যানবাহন কম। কয়েকটি সড়কে আবার বাস চলতে দেওয়া হচ্ছে না। বাস না পেয়ে অনেকেই সিএনজিচালিত অটোরিকশা বা প্রাইভেটকারে চড়তে বাধ্য হচ্ছেন।
বেসরকারি চাকরিজীবী সাইদুর রহমান বলেন, সকাল ১০টার মধ্যে আমাকে গন্তব্যে পৌঁছতেই হবে। রাস্তা ফাঁকা থাকলেও যানবাহনের দেখা নেই। সিটিং বাস আসলেও সিট না থাকায় কাউকে উঠানো হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে হেঁটে মিরপুর থেকে কল্যাণপুর পর্যন্ত এসেছি।
আরেক চাকরিজীবী রেজাউল হাসান বলেন, ফার্মগেট হয়ে তেজগাঁও এলাকায় যাবেন তিনি। বাস পাননি তাই বাধ্য হয়ে সিএনজি ভরসা। বেশি দামেই যেতে হচ্ছে গন্তব্যে।
কল্যাণপুর, মিরপুর ও শ্যামলী এলাকায় অসংখ্য মানুষকে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অনেককেই ফুটপাত ধরে হেঁটে যেতে দেখা গেছে।
ঢাকার বিভিন্ন সড়কেই কমবেশি চিত্র এমনই। মিরপুর রুটের বাসগুলো কারওয়ানবাজার মোড়ে আসা মাত্র সোনারগাঁও হোটেলের পেছন দিয়ে ঘুরিয়ে দেয়া হচ্ছে। যারা বাংলামটর কিংবা শাহবাগ যাবেন তাদের হাঁটতেই হবে রাস্তায়।
জাহিদুল ইসলাম নামে এক অভিভাবক বলেন, আগামীকাল যেন কয়েকটি সড়ক খুলে দেয়া হয়। খুলে না দিলে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে দুর্ভোগ পোহাতে হবে।
এদিকে, আজ (শনিবার) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিক্ষা থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে ছাত্র/ছাত্রীদেরকে। অনেকে হেঁটেই পরীক্ষার হলে উপস্থিত হয়েছেন। তবে গাড়ী না পেযে অনেককেই ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখো গেছে।
উল্লেখ্য, আজ সকালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দলের ২০তম সম্মেলন উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় সঙ্গীতের পর পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা।
এসএম





