বন্দরনগরী চট্টগ্রামের অবৈধভাবে স্থাপিত সব বিলবোর্ড আগামী রোববারের (৪ জানুয়ারি) মধ্যে নিজ ইচ্ছায় সরিয়ে না নিলে অবৈধ বিলবোর্ড মালিকদের গ্রেফতার করা হবে।
এ ছাড়া গ্রেফতার করা হবে অবৈধ বিলবোর্ডে বিজ্ঞাপনদাতা প্রতিষ্ঠানের মালিক বা কর্মকর্তাদেরও। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রভাবশালী অবৈধ বিলবোর্ড ব্যবসায়ীদের এই আলটিমেটাম দিয়ে তিন দিনের মধ্যে বন্দরনগরীর সব অবৈধ বিলবোর্ড সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার আবদুল জলিল মন্ডল বৃহস্পতিবার রাতে এই নির্দেশ দেন।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল জলিল মন্ডল জানান, চট্টগ্রাম মহানগরীর অপরূপ সৌন্দর্যকে ঢেকে রাখা সব অবৈধ বিলবোর্ড, ফুটপাতের সব স্থাপনা শুক্রবার থেকে আগামী রোববার পর্যন্ত এই তিনদিন সময়ের মধ্যে নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নিতে হবে।
যেসব বিলবোর্ড মালিক নিজ উদ্যোগে তাদের অবৈধ বিলবোর্ড সরিয়ে নিতে ব্যর্থ হবে তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘অবৈধ বিলবোর্ড সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনদিনের সময় যথেষ্ট। আমি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে চাই, এই তিনদিনের মধ্যে ফুটপাত থেকে সব স্থাপনা ও বিলবোর্ড সরিয়ে নিতে হবে। বিলবোর্ড ও স্থাপনার মালিকদেরকে নিজ উদ্যোগে এবং নিজ খরচে এগুলো সরিয়ে নেওয়ার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিচ্ছি। আমি চতুর্থ দিন অর্থাৎ আগামী সোমবার সকালে অভিযানে নামবো। ওই দিন আমরা যেই ফুটপাত দিয়ে যাবো সেই ফুটপাতে কোন স্থাপনা ও বিলবোর্ড রাখবো না। আমরা সবগুলোই গুঁড়িয়ে দেবো।’
তিনি আরো বলেন, ‘কেবল গুঁড়িয়েই দেবো না, এসব অবৈধ বিলবোর্ডের মালিক ও বিলবোর্ডে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনদাতাদেরকেও গ্রেফতার করবো। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করে আইনের মুখোমুখি করবো।
আগামী সোমবার থেকে নগরীর ফুটপাতে কোন অবৈধ বিলবোর্ড বা স্থাপনা থাকবে না। রাখতে দেওয়া হবে না। নিজেরা সরিয়ে নিলে ভালো, আর আমাদেরকে যদি সরাতে হয় তাহলে আমরা সরাবো ঠিকই, তবে একই সঙ্গে আমরা মামলাও করবো। গ্রেফতার করে জেলেও পুরবো।’
উল্লেখ্য, এক মাস বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম মহানগরীতে নতুন করে অবৈধ বিলবোর্ড উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ।
সিএমপি কমিশনার আবদুল জলিল মন্ডলের নির্দেশে পরিচালিত এই অভিযানে প্রথম দিনে চারটি বড় বিলবোর্ড উচ্ছেদ ও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
জেআই





