যশোর শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আবদুল মান্নানকে খুনের ঘটনায় সাতজন জড়িত। খালেকের অস্ত্রে সেলিম গুলি করে। আর পাচু ছুরি দিয়ে জবাই করে। আশপাশে দাঁড়িয়ে পাহারা দিচ্ছিল হীরা, মাসুদ, খালেক, শাহাবুদ্দিন, রফিক। পূর্বপরিকল্পিতভাবেই মান্নানকে হত্যা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে নিহত মান্নানের অফিসের সামনে হত্যার ঘটনাস্থলে পুলিশ সুপার আনিসুর রহমানের উপস্থিতে জনসম্মুখে হীরা এভাবেই কিলিং মিশনের বর্ণনা দেন।
শহরের বেড়পাড়া পিয়ারী মোহন রোডে দৈনিক রানার অফিস মোড়ে এএম ট্রেডার্সে ৯ আগস্ট বিকেলে খুন হন আবদুল মান্নান।
এই হত্যা মিশনের অন্যতম সদস্য বেড়পাড়া এলাকার জহর আলীর ছেলে হীরা ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে পুলিশকে জানান, সেলিম ও পাচু সরাসরি হত্যায় অংশ নেয়। প্রথমে সেলিম পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে। এরপর পাচু মান্নানের মৃত্যু নিশ্চিত করতে শ্বাসনালী কেটে দেয়। এসময় পাশের রাস্তায় ছিলেন হত্যা মিশনের বাকি পাঁচ সদস্য।
হত্যা মিশনে অংশগ্রহণকারী সাতজন হলেন, বেজপাড়া এলাকার জহর আলীর ছেলে হীরা, মজিবর রহমানের ছেলে পাচু, মোহাম্মদ মুন্সীর ছেলে মাসুদ, হালিমের ছেলে শাহাবুদ্দিন এবং একই এলাকার সেলিম, খালেক ও রফিক। এই তিন জনের বাবার নাম জানা যায়নি।
দুদিন আগে ঢাকা থেকে হীরাকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পায় পুলিশ। এরপর মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে হীরাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঘটনাস্থলে। এসময় সেখানে জড়ো হন শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা। সবার সামনে হীরা খুনের ঘটনার বর্ণনা দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার সৈয়দ মোস্তফা কামাল, কোতোয়ালী থানার ওসি ইনামুল হক, ওসি (তদন্ত) মোস্তাফিজুর রহমান, ডিবি ওসি মনিরুজ্জামান এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোয়েব উদ্দিন।
ঢাকা, ১৯ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ





