বরিশালে ২০ কোটি টাকার ৮টি গ্রুপের টেন্ডার নিয়ে ছ্ত্রালীগ ও যুবলীগের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়েছে।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে শুরু হওয়া ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে যুবলীগের দুই নেতাকে মারধর করেছে নগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসিমউদ্দিনের অনুসারীরা।

খবর পেয়ে র‌্যাব ও পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কাজ নেয়ার জন্য সকাল থেকে এলজিইডি দফতরে অবস্থান নেয় জেলা ও নগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় বরিশাল মহানগর যুবলীগ নেতার ভাই জিয়াউল হক বিপ্লব দরপত্র জমা দিতে গেলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাকে মারধর করে। বিপ্লবের কাছ থেকে দরপত্র ছিনিয়ে নেয় ছাত্রলীগের মো. আরিফ হোসেন। এর আগে বরিশাল মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহীন সিকদারের পক্ষে দরপত্র জমা দেয়ার সময় ১৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম মিরাজকে মারধর করা হয়।

মারধরের শিকার নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিলে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে লাঠিচার্জ করে উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এ বিষয়ে নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) গোলাম রউফ খান বলেন, খবর পেয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য পুলিশ লাঠিচার্জ করলে সবাই পালিয়ে যায়। তবে কর্তৃপক্ষ চাইলে বা কারো পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ছাড়া ঝামেলা হওয়ায় পুনরায় টেন্ডার জমার দিন ধার্য করা হবে।

এদিকে জিয়াউল হক বিপ্লবের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া দরপত্র উদ্ধারে র‌্যাব-৮ এর ক্যাপ্টেন আবুল বাশারের নেতৃত্বে একটি টিম ছাত্রলীগ নেতা মো. আরিফ হোসেনকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। র‌্যাবের টিমটি প্রকৌশল কার্যালয় ও নগরীর নতুন বাজার এলাকায় ওই ছাত্রলীগ নেতার বাসায় তল্লাশি চালায়। এ সময় তারা বিএম কলেজের অস্থায়ী কর্মপরিষদের ভিপি নগর ছাত্রলীগ নেতা মঈন তুষারকে তুলে নিয়ে যান। তবে তুষারকে আটক নয়; কেবল আরিফের খবর জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করতে আনা হয়েছে বলে জানালেন র‌্যাবের ডিএডি মো. রুহুল আমিন।

কেএইচ