লালমনিরহাটে ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে তিস্তা নদীর চর অঞ্চল গুলোতে আবারও বন্যা দেখা দিয়েছে। তিস্তা নদীর পানি ভাঙ্গা বাঁধ ও সড়ক গুলো দিয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করছে।

জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ৬ ইউনিয়নসহ তিস্তা নদীর তীরবর্তী ইউনিয়ন গুলোতে ৪ হাজার পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, চর অঞ্চল গুলোর বেশ কিছু পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। পানি লোকালয়ে প্রবেশ করায় তিস্তা নদীর তীরবর্তী স্কুল গুলোতেও পানি উঠেছে। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তিস্তা ব্যারাজ দোয়ানী পয়েন্টে বুধবার (২৪ জুলাই) বিকালে পানি বিপদ সীমার ৩৫ সে. মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। চর এলাকা গুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। উজান থেকে থেকে নেমে আসা পানির ঢলে ও ভারী বর্ষণের কারণে বন্যা ও জলবন্ধতা দেখা দিয়েছে।

বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায়। ওই উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সিঙ্গিমারী, সির্ন্দুনা, পাটিকাপাড়া ও ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের অধিকাংশ বাঁধ ও রাস্তা ভেঙ্গে গেছে। এছাড়া জেলার কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার তিস্তা নদীর তীরবর্তী এলাকা গুলোতেও বন্যার পানি ঢুকছে।  

হাতীবান্ধা উপজেলা সির্ন্দুনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুরল আমিন জানান, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে তার ইউনিয়নসহ হাতীবান্ধা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে বন্যা দেখা দিয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)’র দোয়ানী ডালিয়া’র নির্বাহী প্রকোশীলী রবিউল ইসলাম জানান, তিস্তা ব্যারাজ দোয়ানী পয়েন্টে বুধবার বিকালে পানি বিপদ সীমার ৩৫ সে. মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চর এলাকার লোকজন পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।

নুরনবী/এমবি