প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, ‘পাসপোর্ট কারও নিজের সম্পত্তি নয়। এটি বাংলাদেশ সরকারের। সরকার ছাড়া এটি অন্য কারও কাছে দেওয়া যাবে না।’

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘স্বাধীনতার পূর্বে ও পরে বাংলাদেশে ধর্মীয় অঙ্গনের অবস্থান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গণতান্ত্রিক ইসলামী ঐক্যজোট এ সভার আয়োজন করে।

এইচ টি ইমাম বলেন, ‘সৌদি আরবে গেলে সেখানকার বিমানবন্দরে বাংলাদেশি শ্রমিকদের পাসপোর্ট রেখে দেওয়া হয়। কিন্তু এটা ঠিক নয়। কারণ পাসপোর্ট ব্যক্তির নয়, এটি পাসপোর্ট দাতা সরকারের। এটি অন্য কারও হাতে তুলে দেওয়া যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘আরবি শিখে না যাওয়ায় আমাদের দেশের নাগরিকরা বিষয়টি বুঝতে পারেন না। তাই আরবি শিখেই সৌদি আরবে যেতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ইসলামকে সামনে নিয়ে সকলে মিলে এ দেশকে এগিয়ে নিচ্ছি। আলিয়া মাদ্রাসার পাঠ্যক্রমে মওদুদীবাদের আধিক্য পরিবর্তনের দরকার আছে।’

তিনি বলেন, ‘পশ্চিমারা কৌশলে মুসলমানদের মধ্যে হানাহানি বাধিয়ে দিচ্ছে। এতে আমরা মহাবিপদের মধ্যে পড়ছি। ইউরোপ ও আমেরিকায় যাওয়া আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে।’

এইচ টি ইমাম বলেন, ‘এই সরকারকে যারা নাস্তিক আখ্যা দেয় তারাই রেড ওয়াইন এবং অন্যান্য সব পানীয় পান করে দাঁতের চেহারা পাল্টে ফেলেছে। পাকিস্তানিরা রোজা রেখে ইফতারের সময় পানি মুখে দিয়েই হুইস্কির বোতলে চুমুক দেয়। অথচ এ দেশের অনেকেই তাদের গুণবন্দনায় মশগুল থাকেন।’

তিনি বলেন, ‘কওমী মাদ্রাসা থেকে অনেকে বিপথগামী হচ্ছে। কিন্তু এ জন্য তারা দায়ী নয়। ইসলামের নামে যারা সন্ত্রাস করে, বাসে আগুন দেয়, মানুষ পুড়ায় তারা মুসলমান হতে পারে না।’

বক্তব্য দেন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, অধ্যাপক ডা. মো. শরফুদ্দিন আহমদ, আল্লামা মুফতি আব্দুর রহমান আল কাদরী, মাওলানা আবু সুফিয়ান জাকী, ইন্ডিয়া বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের সদস্য এম এ খালেক, মাওলানা মাহবুব উল্লাহ, কাজী মাসুদ আহম্মেদ প্রমুখ।

সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান মাওলানা মাসউদুর রহমান বিক্রমপুরী।

এআইজে