গাইবান্ধা-১ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য (এমপি) মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের হত্যায় জড়িত সন্দেহে সুন্দরগঞ্জ পূর্বাঞ্চলের জামায়াতের আমিরসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল রোববার রাতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৫ জনকে আটক করে। জামায়াতের আমির হলেন সাইফুল ইসলাম।
এ নিয়ে মোট ৩২ জনকে এমপি ঘটনায় আটক করা হলো। এরই মধ্যে সাতজনকে রিমান্ডে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।
গতকাল জামায়াত নেতা ফরিদ আলীসহ ৬জনের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পরে সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আহসান হাবীব মাসুদকেও ৭ দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত।
গত ৩১ ডিসেম্বর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এমপি লিটনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ওই দিন সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামে নিজ বাড়িতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় পাঁচজনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় এমপি লিটন ঘরে বসে টিভি দেখছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে তিন যুবক তাঁর বাড়িতে আসে। তারা হেলমেট পরা ছিল। একজন মোটরসাইকেল নিয়ে বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল।
অপর দুই যুবক ঘরে ঢুকেই এমপি লিটনকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এরপর তারা দৌড়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়।
এমবি





