রোববার (২৩ অক্টোবর) থেকে উপকূলীয় এলাকায় টানা বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৭৯.৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। এতে জনজীবনে ভোগান্তি নেমে এসেছে। নদ-নদীর পানির উচ্চতা ২ থেকে ৩ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে।
জেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং সোমবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ৬ টায় পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিলো।
তাই এটি উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানার শঙ্কায় পটুয়াখালীর পায়রা ও ও মোংলা সমুদ্র বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সকল মাছধরা ট্রলার সমূহকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং মোকাবেলায় ৭০৩টি সাইক্লোন সেল্টার, ২৬টি মুজিব কিল্লা, শুকনা খাবার, ওষুধ ও মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এছাড়া জেলায় উদ্ধারকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং প্রতিটি উপজেলা ও জেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা প্রদান রাখা হয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী জানান, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং আগামি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কলাপাড়া, পটুয়াখালী ও বরিশাল এলাকায় আঘাত হানতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।
কলাপাড়া ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান জানান, আমরা সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। মাইকিংয়ের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালানো হয়েছে। সকল সাইক্লোন সেল্টার ইতিমধ্যে খুলে দেওয়া হয়েছে। আমাদের ভলান্টিয়াররা প্রস্তুত রয়েছে।
এন





