পুলিশের অপরাধে (আইন অনুযায়ী) ‘কঠোর শাস্তি দৃশ্যমান’ করার সুপারিশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে কাউন্সিলিং করারও সুপারিশ করা হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়।

সংসদীয় কমিটির একজন সদস্য জানিয়েছেন, পুলিশ সদস্যরা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। তাদের শাস্তি নিশ্চিত ও দৃশ্যমান করার সুপারিশ করা হয়েছে।

তবে বিভিন্ন সময়ে পুলিশের নানা ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসাও করেন তিনি। পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীকে আরো বেশি সর্তক হওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ের নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি পরিবহন মালিক কর্তৃপক্ষকে এগিয়ে আসার এবং ড্রাইভার নিয়োগে পুলিশের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণের সুপারিশ করা হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বিল, ২০১৬ এর ওপর আলোচনা করা হয়। বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংযোজনসহ সংসদে উপস্থাপনের জন্য রিপোর্ট চূড়ান্ত করা হয়।

কমিটির আজকের সভায় সভাপতিত্ব করেন সংসদীয় কমিটির সদস্য টিপু মুনশি। এছাড়া বৈঠকে কমিটি’র সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন, মো. শামসুল হক টুকু, মো. ফরিদুল হক খান, আবুল কালাম আজাদ, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, ফখরুল ইমাম এবং কামরুন নাহার চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও বৈঠকে পুলিশের আইজিপি, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা গোলাম রাব্বী, সিটি কর্পোরেশনের এক কর্মকর্তা এবং অতি সম্প্রতি এক ছাত্রী হয়রানির বিষয়টি সামনে এনে কমিটিতে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বলা হয়, এ ধরনের ঘটনা পুলিশ বাহিনীর ইমেজকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তবে যারা অপরাধে জড়িত তাদের দায় পুরো পুলিশ বাহিনী নিতে পারে না বলেও কমিটিকে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

এসএইচ